Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গুজরাটের পুষ্পবতী নদীর তীরে অবস্থিত এই মোধেরা সূর্যমন্দির একাদশ শতাব্দীর স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন (Historic Sun Temples)। সোলাঙ্কি রাজবংশের রাজা প্রথম ভীমদেবের আমলে নির্মিত তিন-স্তরীয় এই মন্দিরে রয়েছে সভামণ্ডপ, গুড়মণ্ডপ ও কুণ্ড। সূর্যালোকের প্রতিফলনের সঙ্গে জ্যোতির্বিজ্ঞানের অসাধারণ মেলবন্ধনে তৈরি এই মন্দির আজও পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্র।

মার্তণ্ড সূর্যমন্দির, জম্মু ও কাশ্মীর (Historic Sun Temples)
অন্ততনাগের কাছে অবস্থিত এই মন্দিরই হলো উপত্যকার সবচেয়ে প্রাচীন হিন্দু সূর্যমন্দির। ‘মার্তণ্ড’ শব্দের অর্থই সূর্য। আনুমানিক অষ্টম শতাব্দীতে নির্মিত এই মন্দিরে গ্রিক, গান্ধার, রোমান, সিরিয়ান-বাইজান্টাইন ও চিনা স্থাপত্যশৈলির অনন্য সংমিশ্রণ দেখা যায়। যদিও বর্তমানে মন্দিরটির বড় অংশ ধ্বংসপ্রাপ্ত, তবুও তার ভগ্নাবশেষ ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
আরও পড়ুন: Artificial Intelligence Job: ফ্রেশারদের জন্য কি ফের খুলছে আইটি সংস্থার দরজা?

কাটারমল সূর্যমন্দির, উত্তরাখণ্ড (Historic Sun Temples)
আলমোড়া থেকে কৌশানি যাওয়ার পথে পাহাড়ের কোলে দাঁড়িয়ে আছে এই প্রাচীন সূর্যমন্দির। ধারণা করা হয়, নবম শতাব্দীতে কত্যুরী রাজবংশের শাসনামলে নির্মিত হয় এই মন্দির। প্রচলিত বিশ্বাস, রাজ্যের আদেশে এক রাতের মধ্যেই নির্মিত হয়েছিল এটি। সূর্যদেবের মূর্তিটি তৈরি হয়েছে বটগাছের কাঠ দিয়ে, তাই স্থানীয়দের কাছে এটি ‘বট আদিত্য মন্দির’ নামেও পরিচিত। প্রধান মন্দির ছাড়াও এখানে রয়েছে ৪৫টি ছোট-বড় মন্দির, যা একে উত্তরাখণ্ডের অন্যতম ঐতিহাসিক ধর্মস্থানে পরিণত করেছে।



