Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের তাজিকিস্তানের আয়নি বিমানঘাঁটি (Tajikistan) থেকে সরে যাওয়া দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্যে এক বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মধ্য এশিয়ার এই ঘাঁটিতে ভারতের সামরিক উপস্থিতি তার কৌশলগত প্রভাবের প্রতীক ছিল। তবে সম্প্রতি নয়াদিল্লি ঘাঁটি থেকে কাজ বন্ধ করে দেওয়ায় বোঝা যাচ্ছে, ভারত এখন তার প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক অগ্রাধিকার নতুন করে সাজিয়ে নিতে চাইছে।
কেন বন্ধ করা হচ্ছে ঘাঁটি? (Tajikistan)
২০০০ সালের শুরুর দিকে ভারত রাশিয়ার সহায়তায় আয়নি (Tajikistan) ঘাঁটি সংস্কার করে। আফগানিস্তান এবং মধ্য এশিয়ায় সন্ত্রাসবিরোধী কার্যকলাপ, পাশাপাশি পাকিস্তান ও চীনের প্রভাব মোকাবিলায় এটি ছিল ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি। কিন্তু গত কয়েক বছরে আফগানিস্তানে তালিবান সরকারের আগমন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, এবং চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি ভারতের পক্ষে ঘাঁটি ধরে রাখা কঠিন করে তোলে।
ভারতের নতুন বাস্তববাদী কৌশল! (Tajikistan)
বিশ্লেষকদের মতে, আয়নি ঘাঁটি থেকে সরে আসা ভারতের নতুন (Tajikistan) বাস্তববাদী কৌশল-এর অংশ, যেখানে দেশটি দূরবর্তী এলাকায় সামরিক সম্পদ ব্যয় না করে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে কোয়াড জোটের সক্রিয় ভূমিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির দিকেও এখন ভারতের নজর।
মধ্য এশিয়ায় প্রভাব হারাতে পারে ভারত?
তবে কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, এই পদক্ষেপে ভারত মধ্য এশিয়ায় তার প্রভাব হারাবে, যেখানে চীন ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত শক্তি বাড়াচ্ছে। আয়নি ঘাঁটির ত্যাগের পর ভারত নিরাপত্তা ও জ্বালানি কূটনীতির ক্ষেত্রে বিকল্প পথ খুঁজতে বাধ্য হবে।
আরও পড়ুন: Gujarat ATS Arrests: গুজরাটে সন্ত্রাসের ছায়া, গ্রেপ্তার ৩!
ভারতের এই সিদ্ধান্ত তাই শুধু একটি সামরিক ঘাঁটির অবলুপ্তি নয়, বরং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ায় তার কৌশলগত ভাবনার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা।


