Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নিউ জিল্যান্ডের সঙ্গে মুক্তি বাণিজ্য চুক্তি করতে আলোচনা চালাচ্ছিল ভারত। সেই আলোচনা শেষ হয়েছে বলেই জানানো হয়েছে (India)।
কিউয়িদের সঙ্গে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট ভারতের (India)
ভারতের শেয়ার বাজার বিগত কিছুদিন ধরে অস্থির অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। আগের সপ্তাহেও পতন দেখেছে ভারতের শেয়ার মার্কেট। তবে ২২ ডিসেম্বর বাজার খুলতেই দুরন্ত গতিতে বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। যা লগ্নিকারীদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। এর মধ্যে নিউ জিল্যান্ডের সাথে ‘মুক্ত বাণিজ্য’ চুক্তির পথে ভারত। যা পজিটিভ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা (India)।
বেশ কিছু ট্রেডিং সেশনে পতনের পিছনে একাধিক কারণকে চিহ্নিত করেছেন মার্কেটে এক্সপার্টরা। যার মধ্যে রয়েছে ডলার আর টাকার মধ্যে বিশাল অঙ্কের পার্থক্য, বিদেশি লগ্নি বেরিয়ে যাওয়া, আমেরিকার সাথে বাণিজ্য চুক্তি ও শুল্ক সংক্রান্ত টানাপড়েন। আর মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে শুল্কযুদ্ধের মাঝে একে নরেন্দ্র মোদী সরকারের ‘মাস্টারস্ট্রোক’ হিসাবেই দেখছেন আর্থিক বিশ্লেষকেরা।
দু’টি দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি হলে, তারা বিনা শুল্কে বা নামমাত্র শুল্কে অধিকাংশ পণ্যের আমদানি এবং রফতানি করার সুযোগ পেয়ে থাকে। কোন কোন পণ্যকে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় আনা হবে, তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট ভাবে জানা যায়নি। তবে এতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আর্থিক লাভের সুযোগ অনেকটা বেশি (India)।

আরও পড়ুন: Bangladesh Unrest: বাংলাদেশে গুলিবিদ্ধ আরও এক ছাত্রনেতা
ভারত নিউজিল্যান্ডের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা শেষ হয়েছে বলেই জানিয়েছে, যা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়ানোর লক্ষ্যে ভারতের ১৮তম চুক্তি। ভারত নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিটি আগামী তিন মাসের মধ্যে স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং এটি আগামী বছর কার্যকর হতে পারে।
আর্থিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, নিউ জিল্যান্ডের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে আখেরে লাভ হতে চলেছে ভারতের। শুল্কের দিক থেকে ছা়ড় পাওয়ায় আগামী দিনে ফের কিউয়িভূমিতে রফতানি বৃদ্ধি করার সুযোগ রয়েছে নয়াদিল্লির কাছে। পাশাপাশি, এফটিএকে কেন্দ্র করে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ এ দেশে নিয়ে আসার সুযোগ পাবে সরকার। এর হাত ধরে আসবে উন্নত প্রযুক্তি। দেশের মাটিতে তৈরি হবে কর্মসংস্থানও। অর্থাৎ এই চুক্তির সামগ্রিক প্রভাব পজিটিভ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা (India)।


