Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
শুভ চক্রবর্তী: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ফের সামনে এসেছে দেওয়াল লিখন ঘিরে রাজনৈতিক সংঘাত (Jadavpur University)। বামেদের ‘আজাদি’ স্লোগানের পাল্টা জবাব হিসেবে এবিভিপির দেওয়ালে উঠে এসেছে ‘ফ্রি পিওকে’, ‘অখণ্ড ভারত’ এবং ‘ফ্রি আকসাই চিন’-এর মতো রাষ্ট্রবাদী স্লোগান। ফলে ছাত্র রাজনীতির চেনা দেওয়াল লিখন এবার জাতীয়তাবাদ বনাম বামপন্থার রাজনৈতিক বার্তা প্রকাশের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। বিজেপি নেতা শুভ চক্রবর্তীর বক্তব্য, ছাত্র রাজনীতিতে দেওয়াল লিখন নতুন কিছু নয়। তবে কোন লেখা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে হয়েছে কি না, তা দেখার দায়িত্ব কর্তৃপক্ষের।
‘যার কিছু নেই, তার অস্তিত্ব দেওয়ালে’—কটাক্ষ (Jadavpur University)
শুভ চক্রবর্তীর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে বামেদের রাজনৈতিক প্রভাব কমলেও দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে তারা নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার চেষ্টা করছে। তাঁর কথায়, যারা দিনের পর দিন দেওয়ালে লিখতে লিখতে কার্যত ‘দেওয়ালের ছবি’ হয়ে যাচ্ছেন, তাঁদের রাজনৈতিক অস্তিত্বও অনেকটা সেই দেওয়ালেই সীমাবদ্ধ। পাল্টা রাজনৈতিক শক্তিগুলিও নিজেদের বক্তব্য সামনে আনছে বলেই দাবি তাঁর।
হুমায়ুন কবীরকে দ্বিতীয়বার তলব ঘিরে প্রশ্ন (Jadavpur University)
অন্যদিকে, প্রাক্তন আইপিএস তথা প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে দ্বিতীয়বার হাজিরার নোটিশ দিতে গিয়ে শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ ফিরে যাওয়ার ঘটনা নিয়েও মুখ খুলেছেন শুভ চক্রবর্তী। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। যে আইন ভাঙবে, তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং পুলিশ যথাসময়ে পদক্ষেপ করবে।
চোপড়ায় পুলিশ আধিকারিকের রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যাওয়া নিয়ে বিতর্ক
বিজেপির এক অনুষ্ঠানে চোপড়া থানার আইসি-র উপস্থিতি নিয়েও তৈরি হয়েছে বিতর্ক। অতীতের তৃণমূল আমলে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করে শুভ চক্রবর্তী বলেন, কোনও সরকারি কর্মচারীরই রাজনৈতিক দলের অনুষ্ঠানে যাওয়া উচিত নয়। সামাজিক অনুষ্ঠানে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সম্মান জানানো আলাদা বিষয়, কিন্তু দলীয় কর্মসূচিতে তাঁদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।
আরও পড়ুন: Your Life: দিনে ২২ মিনিট চুমু খেলেই আয়ু বাড়বে ৭ বছর? জানুন ভাইরাল দাবির আসল সত্যি
বামেরা কি ফের বিরোধী রাজনীতিতে জায়গা করে নেবে? (Jadavpur University)
সবশেষে উঠে এসেছে আরও বড় রাজনৈতিক প্রশ্ন—রাজ্যে কি বামেরা ফের বিরোধী শক্তি হিসেবে জায়গা করে নিতে পারে? বিজেপি কাকে প্রধান বিরোধী হিসেবে দেখতে চাইবে, তা নিয়ে জল্পনা থাকলেও শুভ চক্রবর্তীর বক্তব্য, এই সিদ্ধান্ত বিজেপি একা নিতে পারে না। বিধানসভায় সংখ্যার ভিত্তিতে স্পিকার বিরোধী দলের মর্যাদা নির্ধারণ করেন। আর শেষ কথা বলেন সাধারণ ভোটাররা। তৃণমূল যদি নিজেদের মধ্যে ঐক্য ধরে রাখতে না পারে, তাহলে আগামী দিনে মানুষই বিকল্প শক্তি বেছে নিতে পারেন—এমনই ইঙ্গিত তাঁর বক্তব্যে।



