Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জম্মু-কাশ্মীরে কর্মরত কাশ্মীরি পণ্ডিত সরকারি কর্মচারীদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি হুমকি নথি বা পোস্টার ছড়িয়ে পড়ার পর কাশ্মীর উপত্যকায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে কর্মীদের আপাতত ঘরে থাকতে বলা হয়েছে, যা কোনও আনুষ্ঠানিক সরকারি আদেশ নয়, বরং একটি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ(Kashmiri Pandit)।
সংবেদনশীল তথ্য ফাঁসের নেপথ্যে কারা? (Kashmiri Pandit)
নিরাপত্তা এজেন্সিগুলির মতে, পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী লস্কর-ই-তাইবা (LeT)-এর ফ্রন্ট সংগঠন ‘ইউনাইটেড লিবারেশন কাউন্সিল’ (ULC) এই হুমকি নথি প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় রাজস্ব ও শিক্ষা দপ্তরের অন্তত ছয়জন কাশ্মীরি পণ্ডিত কর্মচারীর নাম, ফোন নম্বর এবং তাঁদের পরিবার ও বাসস্থানের বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে। ভূমি ও সম্পত্তি সংক্রান্ত সরকারি কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকার অজুহাতে তাদের বিরুদ্ধে এই হুমকি দেওয়া হয়েছে।
যদিও কোনও সামগ্রিক নির্দেশিকা জারি করা হয়নি, তবে কিছু বিভাগ থেকে কর্মচারীদের আগামী ২৫ আগস্ট পর্যন্ত কর্মস্থলে না গিয়ে বাড়িতে থাকতে বা ছুটিতে থাকতে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বিশেষ পুনর্বাসন প্যাকেজের আওতায় উপত্যকায় বর্তমানে প্রায় ৬,০০০ কাশ্মীরি পণ্ডিত কাজ করছেন। অল প্রাইম মিনিস্টার্স প্যাকেজ এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে যে কর্মচারীদের জীবন ও সুরক্ষা এই মুহূর্তে তাদের প্রধান অগ্রাধিকার।
হুমকি তালিকা সামনে আসার পরেই কাশ্মীরি পণ্ডিতদের আবাসন ও সংশ্লিষ্ট বসতি এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী কড়া নজরদারি ও টহলদারি বাড়িয়ে দিয়েছে। কাশ্মীর পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল ভিকে বিরদি জানিয়েছেন, ডিজিটাল ট্রেইল ধরে এই নথির উৎস ও সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগ ও কুলগামের মতো এলাকায় সাম্প্রতিক বিচ্ছিন্ন সহিংসতার পটভূমিতে এই পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে(Kashmiri Pandit)।
আরও পড়ুন: ICE Gloves: আমেরিকায় ইমিগ্রেশন ঠেকাতে নয়া অস্ত্র: আইসিই কর্মীদের হাতে উঠছে ইলেকট্রিক শক গ্লাভস
সরকারি কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ও গোপনীয় তথ্য কীভাবে জনসমক্ষে এল, তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কাশ্মীরি পণ্ডিত সংগঠনগুলি। কাশ্মীরি পণ্ডিত সংঘর্ষ সমিতি (KPSS) এই ঘটনার একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে(Kashmiri Pandit)। পাশাপাশি, ‘পানুন কাশ্মীর’-এর পক্ষ থেকে উপত্যকায় কর্মরত পণ্ডিত কর্মচারীদের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনের কাছে জোরালো আবেদন জানানো হয়েছে।



