Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী (KIFF 2025) অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পর্দা উঠল ৩১তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের। বৃহস্পতিবার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রঙিন পরিবেশে মিলিত হলেন টলিউড ও বলিউডের তারকা, পরিচালক, সংগীতশিল্পী এবং ক্রীড়াজগতের জনপ্রিয় মুখরা। উৎসবের সঞ্চালনায় ছিলেন অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও জুন মালিয়া।
চলচ্চিত্র উৎসব আরও উজ্জ্বল (KIFF 2025)
এবারের উদ্বোধনী আসরে বিশেষ অতিথি হিসেবে (KIFF 2025) উপস্থিত ছিলেন বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক রমেশ সিপ্পি, অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহা, সংগীতশিল্পী আরতি মুখোপাধ্যায়, ক্রিকেট তারকা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, পরিচালক গৌতম ঘোষ, তিলোত্তমা সোম, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, চিরঞ্জিত চট্টোপাধ্যায়, দেব, কোয়েল মল্লিক, রাজ চক্রবর্তী, পাওলি দাম, রঞ্জিত মল্লিক, লিলি চক্রবর্তী প্রমুখ। টলিউডের প্রায় সব প্রজন্মের তারকাই এই সন্ধ্যায় এক মঞ্চে এসে চলচ্চিত্র উৎসবকে আরও উজ্জ্বল করে তুললেন।
কিংবদন্তিদের অবদানের কথা স্মরণ (KIFF 2025)
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উৎসবের উদ্বোধন করে বলেন, “সিনেমা মানুষের মধ্যে (KIFF 2025) সম্পর্ক গড়ে তোলে, তার কোনো সীমানা নেই। বাংলার মাটিতে চলচ্চিত্র কেবল বিনোদনের নয়, সংস্কৃতির প্রতিফলনও।” তিনি সত্যজিৎ রায়, ঋত্বিক ঘটক, উত্তম কুমার ও সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো কিংবদন্তিদের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, “বাংলা সিনেমার ঐতিহ্য বিশ্বজোড়া। এই উৎসব সেই গৌরবকেই আরও সমৃদ্ধ করে।”
হাস্যরস মেশানো ভঙ্গি
হাস্যরস মেশানো ভঙ্গিতে মমতা বলেন, “আমি দেবকে বলছিলাম, সবাই তো সব বলেই ফেলল, আমি আর কী বলব! সবাইকে ধন্যবাদ জানানো ছাড়া কিছুই বাকি নেই।” পরে তিনি প্রশংসা করেন পরিচালক গৌতম ঘোষ ও তাঁর টিমের, যাঁরা এবারের উৎসবের বাছাই প্রক্রিয়ায় ‘দারুণ কাজ’ করেছেন বলে মুখ্যমন্ত্রীর অভিমত।
আরও পড়ুন: SIR: আদালতের নজরদারিতে কি বদলাবে ভোটার তালিকা প্রক্রিয়া?
তিনি আরও জানান, “এবারের চলচ্চিত্র উৎসবের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো-বাংলা ও আন্তর্জাতিক ভাষার পাশাপাশি টুলু, বোড়ো, কঙ্কনি, সাঁওতালি প্রভৃতি আঞ্চলিক ভাষার সিনেমাগুলোকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি ভাষা মানুষের হৃদয় ও ভালোবাসার প্রকাশ-সেই কারণেই প্রত্যেক ভাষার শিল্পকে মর্যাদা দেওয়া জরুরি।”
বিদেশ থেকে আগত অতিথিদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী আহ্বান জানান কলকাতার সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। তাঁর কথায়, “আমি চাই বিদেশি অতিথিরা কলকাতাকে কাছ থেকে চিনুক, ঘুরে দেখুক, এবং একসঙ্গে সংস্কৃতির এই সেতুবন্ধনকে আরও মজবুত করুক।”


