Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দুর্গাপুজো শেষ হয়েছে প্রায় এক সপ্তাহ। উৎসবের আমেজ অনেকটাই কাটলেও কলকাতার বিভিন্ন রাস্তা, ফুটপাথ এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এখনও চোখে পড়ছে পুজোর বিজ্ঞাপনের হোর্ডিং, ব্যানার ও ফ্লেক্স (Kmc)। কোথাও আবার বিজ্ঞাপন ঝোলানোর জন্য তৈরি বাঁশের অস্থায়ী কাঠামোও রয়ে গিয়েছে। এবার এই ছবি বদলাতে কড়া পদক্ষেপ করল কলকাতা পুরসভা। শহরের রাস্তা থেকে সমস্ত অস্থায়ী পুজোর বিজ্ঞাপন দ্রুত সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুজো কমিটি ও বিজ্ঞাপন সংস্থাগুলিকে।
সরাতে হবে সব অস্থায়ী কাঠামো (Kmc)
কলকাতা পুরসভার নির্দেশ অনুযায়ী, বুধবারের মধ্যেই সমস্ত পুজো সংক্রান্ত অস্থায়ী বিজ্ঞাপন, ব্যানার, ফ্লেক্স এবং সেগুলি লাগানোর জন্য ব্যবহৃত বাঁশের কাঠামো খুলে ফেলতে হবে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বিজ্ঞাপন না সরালে সংশ্লিষ্ট পুজো কমিটি কিংবা বিজ্ঞাপনদাতার বিরুদ্ধে জরিমানার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুরসভা সূত্রে খবর, ক্ষেত্রে বিশেষে বিজ্ঞাপনের নির্ধারিত খরচের অন্তত তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হতে পারে। শুধু জরিমানাই নয়, পুরসভার কর্মীরা যদি নিজের উদ্যোগে বিজ্ঞাপন বা কাঠামো খুলে দেন, সেই কাজের জন্য যে খরচ হবে, তাও সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা বা বিজ্ঞাপনদাতার কাছ থেকেই আদায় করা হবে(Kmc)
ফুটপাথ দখল থেকে দুর্ঘটনা, বাড়ছে সমস্যা (Kmc)
প্রতিবছরই দেখা যায়, পুজো শেষ হওয়ার পরেও দিনের পর দিন শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিজ্ঞাপনের ব্যানার ও ফ্লেক্স ঝুলতে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে মাস পেরিয়েও রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে বাঁশের কাঠামো। এর ফলে একদিকে যেমন কলকাতার সৌন্দর্য নষ্ট হয়, অন্যদিকে ফুটপাথ ব্যবহার করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন পথচারীরা। এমনকি ঝড়-বৃষ্টি বা প্রবল হাওয়ার সময় অস্থায়ী কাঠামো ভেঙে পড়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থাকে। সেই ঝুঁকি কমাতেই এবার বিজ্ঞাপন সরানোর ক্ষেত্রে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে পুরসভা।

আরও পড়ুন: Police Duty Allowance: পুজো থেকে বিসর্জন, ডিউটিরত পুলিশকর্মীদের খাবার ভাতা বাড়াল রাজ্য সরকার
অনুমতির তথ্য পুরসভার হাতে
এবছর রাস্তায় পুজোর বিজ্ঞাপন দেওয়ার ক্ষেত্রে পুজো কমিটিগুলিকে কলকাতা পুরসভার কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয়েছে। ফলে কোন পুজো কমিটি কোথায় বিজ্ঞাপন দিয়েছে, সেই সংক্রান্ত তথ্য পুরসভার বিজ্ঞাপন বিভাগের কাছে রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিজ্ঞাপন সরানো হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুরসভার বিজ্ঞাপন বিভাগের এক আধিকারিকের বক্তব্য, সময়সীমা মেনে বিজ্ঞাপন ও অস্থায়ী কাঠামো সরানো হলে শহরের রাস্তা অনেকটাই পরিষ্কার থাকবে। পাশাপাশি ফুটপাথ দখল, সৌন্দর্যহানি এবং অস্থায়ী বিজ্ঞাপন থেকে তৈরি হওয়া দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমবে।



