Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতার প্রশাসনিক পরিকাঠামোয় (KMC) এক ঐতিহাসিক রদবদল। কলকাতা পৌরসংস্থার মোট ওয়ার্ডের সংখ্যা ১৪৪ থেকে একলাফে বেড়ে হতে চলেছে ২০০। কলকাতার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যার অসামঞ্জস্য দূর করে নাগরিক পরিষেবা সুনিশ্চিত করতেই এই বড় পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের। ডিলিমিটেশন বা ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জল্পনায় সিলমোহর দিয়ে ইতিমধ্যেই পুরোদমে কাজ শুরু করে দিল প্রশাসন।
ভোটার সংখ্যায় বিস্তর অসামঞ্জস্য! (KMC)
মেয়র পদ থেকে ফিরহাদ হাকিমের ইস্তফার পর কলকাতা (KMC) পুরসভায় এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেদিনই তিনি বার্তা দিয়েছিলেন, কলকাতার বিভিন্ন ওয়ার্ডের ভোটার সংখ্যায় বিস্তর অসামঞ্জস্য রয়েছে, যার ফলে ব্যাহত হচ্ছে সুষ্ঠু নাগরিক পরিষেবা।
অবশেষে মিলল স্পষ্ট উত্তর (KMC)
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পর থেকেই শুরু হয়েছিল জল্পনা। অবশেষে মিলল স্পষ্ট উত্তর। হাওড়া পুরসভার মতোই কলকাতাতেও ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশনের পরই হবে পরবর্তী পুরভোট। ভোটার সংখ্যার মূল ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে এবার কলকাতার ওয়ার্ড সংখ্যা ১৪৪ থেকে একলাফে ছোঁবে ২০০।
এই বিশাল কর্মযজ্ঞকে সুচারুভাবে পরিচালনা করতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নগরোন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক দফতরের নির্দেশিকা মেনে একটি ১০ সদস্যের ‘সেন্ট্রাল ডিলিমিটেশন কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। স্পেশাল মিউনিসিপ্যাল কমিশনার সৌম্য ভট্টাচার্যকে এই কমিটির চেয়ারম্যান এবং চিফ ভ্যালুআর অ্যান্ড সার্ভেয়ার নীতিশ চন্দ্র বসাককে মেম্বার সেক্রেটারি করা হয়েছে। এই সেন্ট্রাল কমিটি বর্তমান ওয়ার্ডের সীমানাগুলো খতিয়ে দেখে এলাকার পুনর্বিন্যাসের খসড়া প্রস্তাব তৈরি করবে।
পুরো ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়াটির সমন্বয় ও তদারকি করবে সেন্ট্রাল কমিটি। নোডাল অফিসারের অধীনে রেকর্ড রক্ষণাবেক্ষণ ও ওয়ার্ডের ম্যাপ তৈরির জন্য বিশেষ সেলও কাজ করবে। কলকাতা পৌরসংস্থার অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ও মিউনিসিপ্যাল কমিশনারের পক্ষ থেকে জারি করা এই নির্দেশিকা ইতিমধ্যেই কার্যকর করা হয়েছে। সেন্ট্রাল ডিলিমিটেশন কমিটিকে আগামী ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ ও প্রস্তাবিত খসড়া রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন দেখার, এই নতুন ২০০টি ওয়ার্ডের সীমানা কলকাতার মানচিত্রে নাগরিক পরিষেবার রূপরেখা কতটা বদলে দেয়।


