Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ফুটপাত দখলমুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আপত্তি নেই, কিন্তু সেই প্রক্রিয়ায় মানুষের সঙ্গে প্রশাসনের আচরণ কেমন হবে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। তাঁর বক্তব্য, আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ফুটপাত থেকে মানুষকে সরানোর ক্ষেত্রে পুনর্বাসন বা আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। মন্ত্রী চাইলে তাঁদের হোম বা আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু কাউকে ধমক দিয়ে সমস্যার সমাধান করা যায় না। অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ নিয়ে তাঁর প্রতিবাদ মূলত সেখানেই।

শহিদ পরিবারের প্রসঙ্গেও রাজনৈতিক তরজা (Kunal Ghosh)
২১ জুলাইয়ের শহিদদের নিয়ে বিরোধী দলনেতার মন্তব্যকে ঘিরেও সরব হয়েছেন কুণাল। তাঁর দাবি, সম্প্রতি যে পরিবারকে কেন্দ্র করে মন্তব্য করা হয়েছে, সেই পরিবারের বড় ছেলেকে রেলে চাকরি দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, পরিবারের ছোট ছেলেকে কেউ প্রভাবিত করে বিরোধী দলনেতার কাছে নিয়ে গিয়েছেন। ফলে বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
‘গুলি মারো’ স্লোগান নিয়ে কড়া বার্তা (Kunal Ghosh)
কুণাল ঘোষ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেই ‘গুলি মারো’ ধরনের স্লোগান সমর্থনযোগ্য নয়। তাঁর বক্তব্য, এ ধরনের স্লোগান অকারণে বিতর্ক তৈরি করে এবং রাজনৈতিক পরিবেশকে উত্তপ্ত করে। বিজেপির বিরুদ্ধে অতীতে একই ধরনের স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ তুলে তিনি পুলিশকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছেন।
যাদবপুরের ঘটনায় দলের ভাবমূর্তি নিয়ে উদ্বেগ (Kunal Ghosh)
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় কার্যত নিজেদের দলেরও মুখ পুড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কুণাল। তাঁর দাবি, সিসিটিভি ফুটেজে হামলার ছবি দেখা যাচ্ছে। এরপরও যদি দ্রুত গ্রেফতার না হয়, তাহলে দুষ্কৃতীদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়বে। তাঁর মতে, এই ধরনের ঘটনা শেষ পর্যন্ত শিক্ষাঙ্গন ও সমাজকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দিতে পারে।
বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়েও আক্রমণ (Kunal Ghosh)
বিজেপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিয়েও তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি। কুণালের অভিযোগ, বিভিন্ন এলাকায় কে নিয়ন্ত্রণ নেবে, কে প্রভাব বিস্তার করবে—তা নিয়ে বিজেপির মধ্যে সংঘাত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক চাপের বাইরে গিয়ে পুলিশের নিরপেক্ষ তদন্তের প্রয়োজন বলেও দাবি করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন: Perfume: গন্ধকে সত্যিই বন্দি করা যায়! ‘পারফিউম’- সিনেমায় রয়েছে সেই রহস্য
দলবদল থেকে ‘এয়ার গান’—কটাক্ষে কুণাল
কে কোথায় যাবেন, সেটি তাঁর ব্যক্তিগত বিষয় হলেও তৃণমূলে ফেরার ক্ষেত্রে আগের মতো দরজা খোলা থাকবে না বলেই বার্তা দিয়েছেন কুণাল। একইসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বিয়ে প্রসঙ্গ টেনে রাজনৈতিক কটাক্ষও করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিয়ের পর দিলীপ ঘোষ একসময় সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন; এরপর ফুটপাত ও বন্যার সময় গান গেয়ে কেউ কেউ জনপ্রিয় হয়েছেন। এবার ‘এয়ার গান’ নিয়েও কেউ বিখ্যাত হতে চাইছেন—এমন রসিক মন্তব্যে রাজনৈতিক বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন কুণাল।



