Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আলিপুরের ‘ধন ধান্য’ প্রেক্ষাগৃহে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হল টেলি অ্যাকাডেমি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান (Mamata Banerjee Advised)। ছোট পর্দার জনপ্রিয় তারকা ও কলাকুশলীরা এ দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে পুরস্কৃত হন। প্রতি বছরই এই মঞ্চ থেকে তিনি টেলিভিশন–জগতকে বিভিন্ন দিকনির্দেশ দেন। কখনও হিংসা বর্জনের আবেদন, কখনও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের প্লট কমানোর পরামর্শ বিভিন্ন সময়ে তাঁর বার্তা শিল্পীদের ভাবিয়েছে, বদলেছে ধারাবাহিকের কাহিনি।

‘সামাজিক দর্পণ’ হিসেবে দেখার আহ্বান (Mamata Banerjee Advised)
এ বারও ব্যতিক্রম ঘটল না। মুখ্যমন্ত্রী ফের টেলিভিশনের গুরুত্ব সম্পর্কে বললেন। তাঁর মন্তব্য, ‘টেলিভিশন চ্যানেলের সবথেকে বড় দিক হোক মানবিকতা, সামাজিক চেতনা ও সুশিক্ষা বৃদ্ধি। বর্তমান প্রজন্মের কাছে ইতিহাস হয়তো সঠিক ভাবে পৌঁছচ্ছে না। টেলিভিশনই কখনও কখনও সেই ঘাটতি পূরণ করতে পারে।’ তাঁর মতে, ছোট পর্দা শুধু বিনোদন দেয় না সমাজের ভাবনা, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি গঠনে তা এক বিরাট শক্তি।
ভোটের স্লোগান থেকেই বার্তা (Mamata Banerjee Advised)
আগামী বছরের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের মূল স্লোগান ‘বাংলা ও বাঙালি’। সে প্রসঙ্গেই এ দিনের মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দিলেন বাংলার ঐতিহাসিক ভূমিকা। তিনি বলেন, ‘আমাদের এই মাটিই স্বাধীনতা আন্দোলনের জন্ম দিয়েছে, নবজাগরণের জন্ম দিয়েছে। এই মাটি সোনার চেয়েও খাঁটি।’তারপরেই তিনি যোগ করেন, টেলিভিশনের মাধ্যমে এই বার্তা আরও বড় পরিসরে পৌঁছনো সম্ভব। বাংলার গৌরব, সংগ্রাম, ইতিহাস ও সংস্কৃতি যেন নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছয় সেই আর্জিই রাখলেন তিনি।
শিল্পীদের উদ্দেশে অনুপ্রেরণার বার্তা (Mamata Banerjee Advised)
টেলিভিশন–জগতের নবীন ও প্রবীণ শিল্পীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা ‘অনেক নতুন শিল্পী আসছেন, ট্রেনিং নিচ্ছেন। পুরোনোরাও রয়েছেন। টেলিভিশন হচ্ছে আমাদের হৃদয়ের দর্পণ। সমাজশিক্ষা, সমাজের আলোড়ন, ভাষার সংকলন সবই এই জগৎ প্রতিফলিত করে।’ তার পরেই তিনি বলেন, এই শিল্প যদি না থাকত, মানুষের বিনোদন অনেকটাই অপূর্ণ থেকে যেত।
আরও পড়ুন: MEPSC: প্রি-স্কুল ট্রেনিং-এ ভারতীয় শিক্ষাব্যবস্থার সংযোজন, মৌ স্বাক্ষরিত হল MEPSC ও BRC-র মধ্যে
টেকনিশিয়ানদের কল্যাণে সরকারি অনুদান
এ দিনের অনুষ্ঠান থেকে সিনে টেকনিশিয়ানসদের কল্যাণ তহবিলে রাজ্য সরকারের তরফে পাঁচ লক্ষ টাকার অনুদান দেওয়া হয়। প্রযুক্তিবিদ ও পর্দার আড়ালের শিল্পীদের কল্যাণে সরকারের এই আর্থিক সহায়তা অনুষ্ঠানকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।



