Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতায় টানা ভারী বৃষ্টির (Mamata Banerjee) জেরে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন শহরবাসী। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় এবার সরাসরি বিদ্যুৎ পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি বলেন, “এই মৃত্যুর দায় সিইএসসি-কে নিতেই হবে। এখনই জরুরি ভিত্তিতে তাদের কর্মীদের মাঠে নামতে হবে।”
মুখ্যমন্ত্রীর দাবি (Mamata Banerjee)
মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, সংস্থাটি কলকাতায় ব্যবসা করলেও (Mamata Banerjee) পরিকাঠামোগত উন্নয়নে যথেষ্ট মনোযোগ দিচ্ছে না। তাঁর ক্ষোভের সুরে উঠে আসে, “রাজস্থানে আধুনিকীকরণের কাজ করছে, কিন্তু কলকাতায় করছে না। আমি বারবার বলেছি, তবুও করছেই না। বলতে বলতে মুখে ব্যথা হয়ে যাচ্ছে।”
জলমগ্ন অবস্থায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ (Mamata Banerjee)
এদিন সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন জায়গায় জলমগ্ন অবস্থায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ (Mamata Banerjee) হারিয়েছেন বহু মানুষ। এখনও পর্যন্ত অন্তত পাঁচজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে, যার মধ্যে তিনজনের মৃত্যু নিশ্চিতভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের কারণে হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আরও দু’জন আহত হয়েছেন বলে খবর।
শহরের বহু জায়গায় খোলা বিদ্যুতের তার! (Mamata Banerjee)
এদিকে, শহরের বহু জায়গায় খোলা বিদ্যুতের তার জলের মধ্যে পড়ে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ সংস্থার গাফিলতির দিকেই আঙুল তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

রাজ্যের প্রশাসন কী করছে?
এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের প্রশাসন কী করছে-সেই প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকারের সব দফতর পরিস্থিতি সামাল দিতে রাস্তায় রয়েছে। তবে কলকাতা পুরসভা চাইলেও অনেক জায়গা থেকে জল সরাতে পারছে না। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, “জল বার করবে কোথা থেকে? সব জায়গা তো জলে ডুবে রয়েছে।” তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার পর গঙ্গায় জোয়ার আসার কথা। যার ফলে আবারও শহরের কিছু অংশে জল ঢুকতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
আরও পড়ুন: Water logging in Kolkata: বৃষ্টির জেরে শহরে বানভাসি পরিস্থিতি, বাড়িতে থাকার আবেদন মেয়রের…
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকলেও, প্রবল বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি ভয়াবহ। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী আবেদন জানিয়েছেন, কেউ যেন অপ্রয়োজনে বাইরে না বেরোন। তিনি বলেন, “আজ কেউ বাইরে বেরোবেন না। প্রাইভেট সংস্থাগুলোর কাছে অনুরোধ করছি- কর্মীদের ছুটি দেবেন না, মানবিকতার জায়গা থেকে ভাবুন।”
মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস
এছাড়াও, মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি, সিইএসসি-র কাছে দাবি জানিয়েছেন, নিহতদের পরিবার থেকে একজনকে চাকরি দিতে হবে।


