Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ (Mamata Banerjee) লেভেল এজেন্টদের (বিএলএ) সঙ্গে বৈঠকের মাঝেই তৈরি হল অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। সভা চলাকালীন আচমকা মাইক কাজ করা বন্ধ হয়ে যায়। এই প্রযুক্তিগত বিভ্রাটে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তৃণমূল সুপ্রিমো ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই তিনি পুলিশ এবং দলীয় কর্মীদের দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বারবার এই ধরনের ঘটনার নেপথ্যে অন্তর্ঘাতের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন।
গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক (Mamata Banerjee)
সোমবার দুপুরে আয়োজিত এই বৈঠক ছিল অত্যন্ত (Mamata Banerjee) গুরুত্বপূর্ণ। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) এবং নির্বাচন সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে দলীয় কর্মীদের দিকনির্দেশ দেওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। বৈঠক শুরু হতেই তিনি কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন। ঠিক সেই সময়েই মাইক বিভ্রাট শুরু হয়, যার ফলে বক্তব্য বারবার থমকে যায়।

বিরক্তি প্রকাশ (Mamata Banerjee)
এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট (Mamata Banerjee) বিরক্তি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ইন্ডোর স্টেডিয়ামের মতো জায়গায় বারবার মাইকের সমস্যা হওয়া মেনে নেওয়া যায় না। তাঁর প্রশ্ন, পুলিশ কেন বিষয়টি নজরে রাখছে না এবং সেখানে উপস্থিত দলীয় কর্মীরাও কেন দ্রুত এগিয়ে আসছেন না। একই ধরনের সমস্যা বারবার হওয়ায় তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন, এর পেছনে কোনও পরিকল্পিত চক্রান্ত রয়েছে কি না। সেই সঙ্গে সতর্ক করে দেন, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা হলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভের পর দ্রুত ব্যবস্থা
মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভের পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং কয়েক মিনিটের মধ্যেই মাইকের সমস্যা মিটে যায়। এরপর আবার শুরু হয় বৈঠক। তবে মমতার বক্তব্যের সুর ছিল আগের তুলনায় আরও তীব্র। তিনি সরাসরি বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে একযোগে নিশানা করেন। তাঁর অভিযোগ, কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করছে না এবং বিজেপি নেতৃত্বের নির্দেশেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: মোদি–শাহের বার্থ সার্টিফিকেট আছে? প্রশ্ন তুললেন মুখ্য়মন্ত্রী
কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন
মমতার দাবি, কিছু নির্দিষ্ট অফিসারের মাধ্যমে বিজেপি যে নাম পাঠাচ্ছে, তা ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে তিনি কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন, এতটা নির্লজ্জ আচরণ তিনি আগে কখনও দেখেননি। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে সাধারণ মানুষ ও বিরোধী দলের সমর্থকদের অধিকার খর্ব করার চেষ্টা চলছে।
রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
বক্তব্যের শেষ ভাগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জও ছুড়ে দেন। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তিনি বলেন, সময় এলে দিল্লির ক্ষমতাও কেড়ে নেওয়া হবে। সভায় উপস্থিত কর্মীদের উদ্দেশে তিনি দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার বার্তা দেন এবং যে কোনও ধরনের চাপ বা প্ররোচনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।


