Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ছ’বছর আগে পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ই-স্কুটারে চড়ে নজির গড়েছিলেন তিনি (Mamata Banerjee)। আর এবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন-এর উত্তাপের মধ্যেই ফের একবার সাধারণ মানুষের কাছে নিজেকে পৌঁছে দিতে অন্যরকম ছবি তুলে ধরলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার বিকেলে উত্তর ২৪ পরগনার দমদম উত্তরে রোড শো করতে গিয়ে দলীয় কর্মীর বাইকে চেপে পথ চলার সেই দৃশ্য যেন মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে রাজনৈতিক মহলে।

প্রচারের ভিড়ে সহজ-সরল উপস্থিতি (Mamata Banerjee)
ভোটের দ্বিতীয় দফার আগে প্রচারের তীব্রতা চরমে। এক জেলা থেকে অন্য জেলা, কখনও হুগলি, কখনও উত্তর ২৪ পরগনা, আবার সন্ধ্যায় কলকাতা এই ব্যস্ত সূচির মধ্যেই প্রচারে ছুটছেন তৃণমূল নেতৃত্ব (Mamata Banerjee)। এই প্রেক্ষাপটে বিরাটির রাস্তায় মমতার বাইকে চড়ে যাওয়া শুধু একটি মুহূর্ত নয়, বরং তা রাজনৈতিক বার্তাও বহন করে। দমদম উত্তরের প্রার্থী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য-র সমর্থনে রোড শো করতে গিয়ে প্রথমে গাড়ি থেকে নেমে কিছুটা পথ পদযাত্রা করেন তিনি। এরপর আচমকাই এক দলীয় কর্মীর বাইকে উঠে পড়েন। সেখান থেকেই বাকি পথ জনসংযোগ চালিয়ে যান তৃণমূল সুপ্রিমো।
রাস্তার দুই পাশে জনতার উচ্ছ্বাস (Mamata Banerjee)
মুখ্যমন্ত্রীকে এভাবে বাইকে চেপে দেখতে পেয়ে রাস্তায় দাঁড়ানো সাধারণ মানুষ এবং দলীয় সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই মোবাইলে সেই মুহূর্ত বন্দি করেন। কারও মতে, এই ছবি আবারও প্রমাণ করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধুমাত্র প্রশাসনিক প্রধান নন, তিনি জনমানুষের নেত্রী।

অতীতের সেই ই-স্কুটার প্রতিবাদের পুনরাবৃত্তি (Mamata Banerjee)
এই দৃশ্য অনেকের মনেই ফিরিয়ে আনল ২০২১ সালের সেই ঘটনা, যখন পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈদ্যুতিক স্কুটারে চেপে নবান্নে গিয়েছিলেন। তখন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম তাঁকে নিজের স্কুটিতে করে নিয়ে যান। সেই সময়ের প্রতিবাদ ছিল কেন্দ্রীয় নীতির বিরুদ্ধে সরব হওয়ার একটি প্রতীকী পদক্ষেপ। আর এবারের বাইকযাত্রা তা যেন নির্বাচনী প্রচারের মাঝেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের এক সহজ ও স্বতঃস্ফূর্ত ছবি।
আরও পড়ুন: Noapara Blast: শেষ দফা ভোটের আগে উত্তেজনা, বোমা বিস্ফোরণে কাঁপল নোয়াপাড়া!
রাজনৈতিক বার্তা না কি স্বাভাবিক আচরণ?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের আচরণ ভোটের আগে জনমানসে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে নেতার ‘অ্যাক্সেসিবিলিটি’ বা সহজলভ্যতার বার্তা পৌঁছায়। আবার অনেকেই মনে করেন, এটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বভাবজাত সরলতারই বহিঃপ্রকাশ।



