Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সামীর জেলজোকোভিকের যুক্ত হওয়ায় মোহনবাগানের শক্তি বাড়বে বলেই আশা করছেন সমর্থকরা (Mohun Bagan)।
সবুজ-মেরুন ব্রিগেডে নতুন তারকা (Mohun Bagan)
ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে উন্মাদনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। ভারতের ফুটবলপ্রেমীরা রাত জগতে প্রস্তুত। বঙ্গে ক্ষমতা বদলেছে রাজনৈতিক শক্তি। তবে ভোট প্রচারের আগে সব পাড়া জুড়ে ছিল সব দলের পতাকা। তবে সেই পতাকা এখন নেমে গেছে। বরং এখন পাড়ায় পাড়ায় জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বকাপে অংশগ্রহনকারী দেশের পতাকা। তবে বাঙালির হৃদয়ে ফুটবল বলতে আজও সবার আগে মনে আসে যে দুটি ক্লাবের কথা সেই দুটি হল মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গল (Mohun Bagan)।
এই দুই দলের লড়াই দেখার জন্য আজও মাঠে ভিড় জমান হাজার হাজার সমর্থকরা। তাঁদের প্রিয় দলের হয়ে গলা ফাটাতে কোনও কার্পণ্য করে না। মোহনবাগানের মত ঐতিহাসিক ক্লাবের সঙ্গেই আবার নাম জড়িয়ে আছে কিংবদন্তি পেলের নাম। কীভাবে? ১৯৭৭ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কলকাতার ইডেন গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। সেখানে মুখোমুখি হয় নিউ ইয়র্কের কসমস ক্লাব এবং মোহনবাগান। সেই ম্যাচেই ফুটবল ‘মক্কায়’ পা রেখেছিলেন পেলে। তবে আজও বাঙালির মনে আছে দুই মোহনবাগানের তারকার নাম, শ্যাম থাপা ও হাবিব। আর সেই ক্লাবে এবার যোগ দিলেন বসিনিয়ার তারকা।

বসিনিয়ার জাতীয় দলে খেলা ফুটবলার সামীর জেলজোকোভিক এবার খেলবেন সবুজ মেরুন জার্সিতে। সদ্য সমাপ্ত ইন্ডিয়ান সুপার লিগে পঞ্জাব এফ সি-র জার্সিতে দু্র্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়েছিলেন এই ফুটবলার। মূলত সেন্ট্রাল ডিফেন্সিভ মিডিও হলেও স্টপার পজিশনেও খেলতে পারেন সামীর। মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের তারকা সমৃদ্ধ দলে তাঁকে নেওয়ার অন্যতম কারণ হল তাঁর দুটি পজিশনে সমানতালে খেলার অভিজ্ঞতা।
ছয় ফুট উচ্চতার আঠাশ বছর বয়সী সামীর হঠাৎ হঠাৎ উঠে গিয়ে আক্রমণভাগকে সাহায্য করতেও সিদ্ধহস্ত। বসনিয়ে প্রিমিয়ার লিগ বা উজবেকিস্তানের যে লিগে যখন খেলেছেন তখনই গোল করেছেন এবং করিয়েছেন। সদ্য সমাপ্ত জাতীয় লিগেও দুটি গোল করার পাশাপাশি তিনটি গোলের বলও বাড়িয়েছেন সামীর।
আরও পড়ুন: Ayushman Bharat Yojana: বাংলায় চালু আয়ুষ্মান ভারত, পাবেন কারা?
মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের সঙ্গে দু বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর এমবি এসজি মিডিয়াকে সামীর জেলজোকোভিক বলেছেন, “ভারতে খেলতে আসার পর থেকেই মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের ধারাবাহিক সাফল্যের কথা শুনেছি। আই এস এলে যুবভারতীতে বিপক্ষ দলের জার্সি পরে খেলতে নেমে দেখেছি ক্লাবের প্রতি মোহনবাগান সদস্য সমর্থকদের উন্মাদনা ও ভালবাসা। এরকম একটা ঐতিহ্যশালী ও শতাব্দীপ্রাচীন ক্লাবের জার্সিতে খেলার সুযোগ পেয়ে আমি আপ্লুত ও রোমাঞ্চিত। সবুজ মেরুনের সমর্থকরা আমার খেলা দেখেছেন। মোহনবাগান দেশের সেরা ক্লাব। সেই সফল দলের সতীর্থদের সঙ্গে যখন নামব তখন আরও ভাল খেলব, এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। আমি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে কলকাতায় খেলতে আসছি। আই এস এল তো বটেই সব ট্রফি জিততে চাই (Mohun Bagan)।“


