Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: তৃণমূলের গড় উত্তপাড়া (MLA Dipanjan Chakraborty)। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র ছিলেন তৃণমূলের প্রার্থী। অনেকেরই মনে হয়েছিল বিজেপি সেখানে খাতা খুলতেই পারবে না। তবে বিজেপির হয়ে জনগণের ম্যান্ডেটে সেখানে জয়ী হয়েছেন প্রাক্তন এনএসজি কম্যান্ডো দীপাঞ্জন চক্রবর্তী।
আমি খুব বেশি পলিটিক্যাল পারসন (MLA Dipanjan Chakraborty)
তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা ও ভোট যুদ্ধ জয় (MLA Dipanjan Chakraborty) সম্পর্কে তিনি বলেন, “উত্তরপাড়ায় নাকি লেনিনের দাঁত পোঁতা আছে। ক্যাপ্টেনের জন্য সিপিএম সর্বস্ব নিয়ে ঝাঁপিয়েছিল। নীতি না মেনে যত নোংরা খেলা তারা খেলেছেন। সেই ক্যাপ্টেন কিন্তু ২৮ হাজার ৭০০ ভোটে পিছিয়েছিলেন। কল্যাণ ব্যানার্জির ছেলে শীর্ষন্য কে আমি ১০ হাজার ভোটে হারিয়েছিলাম। আমি মনে করি সভ্য সমাজে নন পলিটিক্যাল পারসন যারা তার মত শয়তান কেউ নেই। মানুষ মাঠে নেমে রাজনীতি করবে কি করবে না সেটা আলাদা। একজন মানুষের যদি রাজনৈতিক সচেতনতা না থাকে, সে বলবে আমার দেশটার কিচ্ছু হবে না, রাজ্য রসাতলে গেল, আর বলবে আমি রাজনীতি বুঝি না, তা হয় না। এদেরই বাংলায় বলা হত বুদ্ধিজীবী। আমি খুব বেশি পলিটিক্যাল পারসন।”
আমার সম্পূর্ণ অনিচ্ছা সত্ত্বেও… (MLA Dipanjan Chakraborty)
তিনি আরও বলেন, “আমি বিভিন্নভাবে বাংলার (MLA Dipanjan Chakraborty) অবস্থা নিয়ে কথা বলেছি। রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা নিয়ে বাংলা একটা বিপদের জায়গায় পৌঁছে গেছিল। সেইজন্য আমার সম্পূর্ণ অনিচ্ছা সত্ত্বেও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বাবুর কথায় আমি রাজনীতিতে আসতে বাধ্য হই। আমি ওনাকে প্রমিস করেছিলাম যে আমি ওনাকেই সেনাপতি হিসেবে মেনে নিচ্ছি। একজন সৈন্য কখনও সেনাপতিকে লড়াই করার জায়গা বাছতে দেয়না। আমি বলেছিলাম আমি সারা বাংলা জুড়ে ক্যাম্পেন করব কিন্তু নিৰ্বাচনে সরাসরি ব্যবহার করবেন না। বাংলার মানুষকে বোঝানোর দরকার ছিল বাংলার বিপদটা কোথায়! উনি যখন বললেন নির্বাচনে লড়তে হবে, আমি একদমই রাজি ছিলাম না। আমি জানতামও না উত্তরপাড়ায় প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে হবে। ২৯ মার্চ ক্যাম্পেন শুরু হয়। আমাকে ট্যাগ লাগানো হয়েছিল আমি বহিরাগত। আমি এক মাসএর মধ্যেই লড়াই করেছি। ফল দেখতেই পাচ্ছেন।”
পিসি-ভাইপোর গ্যাং ছিল
ভয় আউট, ভরসা ইন বলেছিলেন। তৃণমূলই তো আউট হয়ে যাচ্ছে, ভেঙে খান খান হয়ে যাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে দীপাঞ্জন বাবু বলেন, “বহুবার আমি বলেছি তৃণমূলকে আমি কোনও রাজনৈতিক দল বলে মনেই করি না। তৃণমূল দুর্ব্বৃত্তদের স্বার্থ রক্ষার জন্য তাদের দ্বারা পরিচালিত একটি দল। এটা রাজনৈতিক দল নয় একটা গ্যাং। পিসি-ভাইপোর গ্যাং ছিল। এই গ্যাং গুলোতে একটা আঠা থাকে। সেটা ক্ষমতার আঠা। আর সেই আঠা উঠে গেলে পতাকা লাগানোর লোক থাকবে না। আর নেই সেটাই হল। পিসি-ভাইপো আর হয়তো কয়েকজন থাকবে।”
আরও পড়ুন: Digha Death: দিঘার সমুদ্রে স্নানের সময় স্পিড বোটের ধাক্কায় মৃত্যু পর্যটকের
অনুপ্রবেশ ইস্যু সম্পর্কে তিনি অকপট সুরে বলেন, “আমি বিশ্বাস করি বিজেপি এমন একটি রাজনৈতিক দল যারা বিশ্বাস করে দেশ সর্বোপরি। নেশন ফার্স্ট, নো কম্প্রোমাইজ। সব সুর এখানে একই তালে বাধা। যেটা আমাদের সংঙ্কল্প পত্রে ছিল রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা। রাষ্ট্র থাকলে আমরা থাকব।”
এছাড়াও একাধিক ইস্যু সম্পর্কে মুখ খুলেছেন তিনি।
দেখুন পুরো ভিডিও…


