Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় পাক তারকার ডোপ টেস্ট পজিটিভ হওয়ায় বিপাকে অলরাউন্ডার (Mohammad Nawaz)।
বিতর্কের আরেক নাম পাকিস্তান (Mohammad Nawaz)
বিতর্ক পাকিস্তানের পিছু ছারে না নাকি পাকিস্তান বিতর্কের সেটা এখন তর্ক সাপেক্ষ। তবে এই মুহূর্তে পাকিস্তানের অলরাউন্ডার মহম্মদ নওয়াজ হটাৎ করেই আবার বড় বিতর্কে জড়ালেন। রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালীন তাঁর ডোপ টেস্টে একটি রিক্রিয়েশনাল পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনার জেরে তাঁকে সতর্ক বার্তা থেকে শুরু করে ছয় মাস পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে (Mohammad Nawaz)।
এই ঘটনার পর আইসিসি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে খুঁটিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। তবে তারপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি। যেহেতু ঘটনাটি ঘটে আইসিসি টুর্নামেন্ট চলাকালীন তাই পুরো বিষয়টি নিজেরাই দেখবে। পাকিস্তানের অ্যান্টি-ডোপিং সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডঃ ওয়াকার আহমেদ জানান এমন ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম আলাদা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘ম্যাচের বাইরে রিক্রিয়েশনাল পদার্থ ব্যবহারের জন্য কোনও শাস্তি নেই। তবে যদি প্রতিযোগিতার সময় ধরা পড়ে, তা হলে সতর্কবার্তা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি মামলা আলাদা করে দেখা হয়। শিক্ষা, উদ্দেশ্য এবং পুনর্বাসনের বিষয়গুলোও সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’ নওয়াজ বর্তমানে রয়েছেন পাকিস্তানেই তাই তদন্তের দায়িত্ব পিসিবি-র উপর রয়েছে। PCB-র মেডিক্যাল প্যানেল ইতিমধ্যেই রিপোর্ট তৈরি করে জমা দিয়েছে আইসিসি-র কাছে (Mohammad Nawaz)।
আরও পড়ুন: Birbhum: কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ, ভোটের দিনে ইভিএম বিভ্রাট
ডঃ ওয়াকার আহমেদ বলেছেন, ‘আইসিসির সদস্যদের জন্য স্থানীয় ভাবে তদন্ত করা সময়সাপেক্ষ এবং জটিল। তাই স্থানীয় সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করিয়ে রিপোর্ট নেওয়া হয় এবং পরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়।’
এর মধ্যে তাঁর ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্লাব সারের হয়ে টি-২০ ব্লাস্ট খেলার কথা ছিল এবং সেই মত পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড অনুমতিও দিয়ে দিয়েছিল। যার কারণে চুক্তিও হয় তবে সেই চুক্তি এখন ভেঙে গিয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। তবে তদন্ত চললেও তিনি এখন পাকিস্তান সুপার লিগ খেলছেন। এখন দেখার ভবিষ্যতে তাঁর জন্য কী অপেক্ষা করছে (Mohammad Nawaz)।


