Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: স্পেসএক্সের আইপিও আত্মপ্রকাশের পর বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক প্রথম ‘ট্রিলিয়নেয়ার’ হওয়ার নজির গড়েছেন বলে ব্যাপক আলোচনা চলছে(Musk Trillionaire)। কিন্তু ১ ট্রিলিয়ন ডলার আসলে কত বড় অঙ্ক?
মিলিয়ন মিলিয়নে ট্রিলিয়ন! (Musk Trillionaire)
১ ট্রিলিয়ন ডলার মানে ১,০০০,০০০,০০০,০০০ ডলার বা ‘এক মিলিয়ন মিলিয়ন’ ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় এর মূল্য প্রায় ৯৫ লক্ষ কোটি টাকা। সিএনএনের তথ্য অনুযায়ী, কেউ যদি প্রতি ঘণ্টায় ১০ লক্ষ ডলার করে খরচ করেন, তবুও এই অর্থ শেষ করতে ১০০ বছরেরও বেশি সময় লেগে যাবে।
অঙ্কটির বিশালতা বোঝাতে বিভিন্ন তুলনা দেওয়া হচ্ছে। ১ ডলারের নোট দিয়ে ১ ট্রিলিয়ন ডলার সাজালে তার দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ১,০৯,২০০ কিলোমিটার, যা পৃথিবীকে প্রায় তিনবার প্রদক্ষিণ করার মতো। আবার ১০০ ডলারের নোটে এই অর্থ দিয়ে প্রায় সাড়ে চারটি অলিম্পিক মানের সুইমিং পুল পূর্ণ হয়ে যাবে।
অর্থনীতির সঙ্গে তুলনা করলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়। বিশ্বের ১৭০টিরও বেশি দেশের বার্ষিক জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলারের কম। তাইওয়ান, আয়ারল্যান্ড, সুইডেন, সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দেশের অর্থনীতিও এই অঙ্কের নিচে। এমনকি নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের বার্ষিক অর্থনৈতিক উৎপাদনও প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলারের সামান্য বেশি।
তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, মাস্কের এই সম্পদ নগদ অর্থ নয়। তাঁর সম্পদের বড় অংশই টেসলা ও স্পেসএক্সের শেয়ারের মূল্য থেকে এসেছে। ফলে শেয়ারের দাম বাড়লে তাঁর সম্পদ বাড়ে, আর কমলে সম্পদের মূল্যও কমে যায়(Musk Trillionaire)।
আরও পড়ুন: Oman Sailors Death: ওমান উপকূলে জাহাজে হামলা: মার্কিন কূটনীতিককে তলব, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ভারতের
এদিকে এত বিপুল সম্পদ নিয়ে বৈষম্যের প্রশ্নও উঠছে। সমালোচকদের মতে, বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ১ শতাংশ মানুষের হাতে এখন বিশ্বের সম্পদের ৪৫ শতাংশের বেশি রয়েছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, বছরে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করলে ক্ষুধা দূরীকরণে বড় অগ্রগতি সম্ভব(Musk Trillionaire)। সেই প্রেক্ষাপটে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদ নতুন করে বৈষম্য ও সম্পদের কেন্দ্রীভবন নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।



