Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর—বাংলার রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুই বিধানসভা আসনে চলছে উপনির্বাচনের ভোটগণনা (Nandigram Election)। স্বাভাবিকভাবেই গণনাকেন্দ্রগুলিকে মুড়ে ফেলা হয়েছে কড়া নিরাপত্তার চাদরে। কমিশনের অনুমতিপত্র ছাড়া কাউকেই গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। আর গণনার শুরুতেই যে ছবি সামনে এসেছে, তাতে দুই কেন্দ্রেই এগিয়ে বিজেপি প্রার্থীরা।
পোস্টাল ব্যালটেই বড় ব্যবধান (Nandigram Election)
পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরু হতেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর—দুই আসনেই এগিয়ে যান বিজেপি প্রার্থীরা। নন্দীগ্রামে হাসিরানি রথ এবং রেজিনগরে শাখারভ সরকার শুরু থেকেই অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের পিছনে ফেলে দেন। প্রথম দফার হিসাবেই দুই কেন্দ্রের ব্যবধান দ্রুত বাড়তে শুরু করে।
নন্দীগ্রামে বিজেপির বড় লিড (Nandigram Election)
নন্দীগ্রামের ফলাফল ঘিরে রাজনৈতিক মহলের আগ্রহ ছিল শুরু থেকেই তুঙ্গে। কারণ চলতি বিধানসভা নির্বাচনে এই আসন থেকেই জয় পেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম—দুই আসনে জয় পাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন ছাড়তে হয় তাঁকে। নন্দীগ্রাম ছেড়ে দেওয়ার পরই সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পোস্টাল ব্যালটে হাসিরানি রথ এক হাজারেরও বেশি ভোট পান। সেখানে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের ঝুলিতে আসে মাত্র ১৮ ভোট। ঋতব্রত তৃণমূল পায় ৮ ভোট, আইএসএফ ৭ এবং বামেদের প্রাপ্তি মাত্র ৩ ভোট। পরে সামগ্রিক গণনায় বিজেপির ব্যবধান ৯ হাজারেরও বেশি ভোটে পৌঁছেছে বলে শেষ পাওয়া খবরে জানা যাচ্ছে।
রেজিনগরেও পদ্মের ঝড়? (Nandigram Election)
রেজিনগরেও শুরু থেকেই বিজেপির শাখারভ সরকারের দাপট দেখা যাচ্ছে। পোস্টাল ব্যালটে তিনি পান ১০৩৩ ভোট। দ্বিতীয় স্থানে থাকা মমতা তৃণমূলের প্রার্থী পান ১০৯ ভোট এবং কংগ্রেসের প্রার্থী পান ৯৩ ভোট। হুমায়ুন কবীরের দলের প্রার্থী আরও পিছিয়ে, তাঁদের প্রাপ্ত ভোট ৬৫। পরবর্তী গণনায় বিজেপির ব্যবধান আরও দ্রুত বাড়তে থাকে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, রেজিনগরে ৩০ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার।
ভোটের দিন থেকেই কি ছিল ইঙ্গিত? (Nandigram Election)
রেজিনগর ও নওদা—দুই আসনেই জয় পেয়েছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন ছাড়তে হওয়ায় রেজিনগরে উপনির্বাচন হয়। ভোটের দিন থেকেই বিজেপির পক্ষে হাওয়া রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছিল। এমনকী ভোট শেষ হওয়ার আগেই হুমায়ুনের দলের প্রার্থীকে হতাশ হয়ে ভোটকেন্দ্র ছাড়তে দেখা গিয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: Suvendu on Mamata: মমতার পায়ে “ভুয়ো” চোট, তদন্তের দাবি শুভেন্দুর
দুই কেন্দ্রেই বাড়ছে ব্যবধান
সব মিলিয়ে গণনার প্রাথমিক প্রবণতায় নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর—দুই আসনেই বিজেপির দাপট স্পষ্ট। নন্দীগ্রামে ৯ হাজারের বেশি এবং রেজিনগরে ৩০ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছে পদ্মশিবির। অবশ্য চূড়ান্ত ফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কোনও ফলাফলকেই নিশ্চিত বলা যায় না। তবে গণনার গতিপ্রকৃতি বলছে, দুই কেন্দ্রেই ঝড়ের গতিতে ব্যবধান বাড়িয়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে বিজেপি।



