Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে আসন্ন উপনির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করছে নির্বাচন কমিশন (Nandigram)। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর্ব শেষ হয়েছে। এরপরই দুই কেন্দ্রের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং ভোটগ্রহণের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দুই কেন্দ্র মিলিয়ে মোট ৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে।
কোথায় কত বাহিনী? (Nandigram)
কমিশনের নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে মোতায়েন থাকবে ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে থাকবে ৩৪ কোম্পানি। অর্থাৎ দুই কেন্দ্রের জন্য মোট ৭১ কোম্পানি বাহিনী দায়িত্বে থাকবে। সাধারণ হিসাবে একটি কোম্পানিতে প্রায় ১০০ জন করে সদস্য থাকায়, দুই কেন্দ্রে কয়েক হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাবেন।
রাজ্যে থাকা বাহিনী থেকেই মোতায়েন (Nandigram)
নিরাপত্তার জন্য নতুন করে বাহিনী আনার পরিবর্তে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে থাকা প্রায় ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্য থেকেই ৭১ কোম্পানিকে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ফলে ভোটের আগে থেকেই বাহিনীকে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন এবং নিরাপত্তা পরিকল্পনা কার্যকর করার প্রস্তুতি চলছে।
১০০ শতাংশ বুথে ওয়েবকাস্টিং (Nandigram)
শুধু কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নয়, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির ব্যবস্থাও থাকছে। কমিশন জানিয়েছে, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ১০০ শতাংশ বুথে ওয়েবকাস্টিং করা হবে। নন্দীগ্রামে ২৮২টি এবং রেজিনগরে ৩১৫টি বুথ রয়েছে—দুই কেন্দ্র মিলিয়ে মোট ৫৯৭টি বুথে নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে।
ভোটের আগে সমন্বয়ে জোর (Nandigram)
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর, রাজ্য পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকদের মধ্যে সমন্বয় রেখে নিরাপত্তা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে। দুই কেন্দ্রের জন্য পুলিশ ও সাধারণ পর্যবেক্ষকও নিয়োগ করেছে কমিশন। ভোটের আগে বাহিনীর অবস্থান, রুট এবং বুথকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার মতো বিষয়গুলিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: অন্নপূর্ণা দিবসে একাধিক বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
৬ অক্টোবর ভোট, ৯ অক্টোবর গণনা
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে ৬ অক্টোবর। ভোটগণনা হবে ৯ অক্টোবর। ফলে মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর এখন মূল নজর প্রচারপর্ব, আইনশৃঙ্খলা এবং ভোটগ্রহণের প্রস্তুতির দিকে।



