Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: উৎসবের মরসুমেই কর্মীদের জন্য খারাপ খবর নেটফ্লিক্সে (Netflix)। ২০২২ সালের পর ফের বড়সড় কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটতে চলেছে জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মটি। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ৮৫০-এরও বেশি কর্মী চাকরি হারাতে পারেন। বর্তমানে নেটফ্লিক্সে প্রায় ১৬ হাজার কর্মী কাজ করেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৬৮ শতাংশই আমেরিকায় কর্মরত। ফলে প্রস্তাবিত ছাঁটাইয়ে সংস্থার প্রায় ৬ শতাংশ কর্মীর চাকরি যেতে পারে বলে আশঙ্কা।
কেন এমন কঠিন সিদ্ধান্ত? (Netflix)
নেটফ্লিক্সের এই সিদ্ধান্তের পিছনে রয়েছে ব্যবসার গতি এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ নিয়ে চাপ। দীর্ঘদিন ধরে সাবস্ক্রিপশন-নির্ভর ব্যবসার উপর দাঁড়িয়ে থাকা সংস্থাটি এখন বিজ্ঞাপন, গেমিং এবং অন্যান্য ডিজিটাল পরিষেবার মাধ্যমে ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোতে পারছে না সংস্থা।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে নেটফ্লিক্সের অন্যতম সিইও টেড সারান্ডোসও কার্যত বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, সংস্থা যে গতিতে এগোতে চায়, বাস্তবে সেই গতিতে বৃদ্ধি হচ্ছে না। তবে সেই গতি বাড়ানোর জন্য একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
শেয়ারবাজারেও চাপ (Netflix)
নেটফ্লিক্সের ব্যবসায়িক চাপের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে শেয়ারবাজারেও। গত ছয় মাসে সংস্থার শেয়ারের দর প্রায় ৩০ শতাংশ কমেছে। গত এক বছরের হিসাব ধরলে পতনের পরিমাণ আরও বেশি। এই পরিস্থিতিতে খরচ কমিয়ে ব্যবসাকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যেই কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
২০২৭-এ আরও বড় ছাঁটাই? (Netflix)
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, এই ছাঁটাইই শেষ নয় বলেও ইঙ্গিত মিলেছে। ২০২৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে নেটফ্লিক্স আরও বড়সড় কর্মী ছাঁটাই করতে পারে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে কর্মীসংখ্যার ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর সম্ভাবনার কথাও সামনে এসেছে। যদিও ভবিষ্যতের এই সিদ্ধান্ত এখনও নিশ্চিত নয়।
ইউজারদের তথ্য নজরদারির অভিযোগও বিতর্কে
এর মধ্যেই নেটফ্লিক্সকে ঘিরে তৈরি হয়েছে আরও একটি বিতর্ক। অভিযোগ, ব্যবহারকারীরা কী দেখছেন, কতক্ষণ দেখছেন এবং কীভাবে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করছেন—এসব তথ্য নেটফ্লিক্স পর্যবেক্ষণ করে। এমনকি ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই তথ্য সংগ্রহের অভিযোগে মামলার কথাও সামনে এসেছে।



