Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২৫ সালের সাহিত্য নোবেল পুরস্কার জিতলেন হাঙ্গেরির বিশিষ্ট সাহিত্যিক লাজলো ক্রাজনাহোরকাই (Nobel Prize in Literature)। নোবেল কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাস ও অনিশ্চয়তার আবহে, সৃজনশীলতার মাধ্যমে শিল্পের শক্তিকে পুনরায় তার স্বমহিমায় স্থাপন করেছেন লাজলো।” রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি তাঁর শিল্পকর্মকে বর্ণনা করেছে ‘মনোমুগ্ধকর’ ও ‘দূরদর্শী’ বলে।
সাহিত্যজীবনের সূচনা ও সাফল্য কোথায়? (Nobel Prize in Literature)
১৯৫৪ সালে জন্ম নেওয়া এই হাঙ্গেরীয় লেখক ১৯৮৫ সালে প্রকাশ করেন তাঁর প্রথম উপন্যাস Sátántangó যা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে আলোচনায় এনে দেয়। পরবর্তীকালে এই উপন্যাস অবলম্বনে হাঙ্গেরির খ্যাতনামা পরিচালক বেলা তার নির্মাণ করেন এক কালজয়ী চলচ্চিত্র, যা ইউরোপীয় আধুনিকতার চেতনায় এক বিশেষ স্থান অর্জন করেছে।
নোবেল কমিটির বিশেষ উল্লেখ
আরও পড়ুন: Historical Story of Kali Puja: কেন মা কালীর রূপ এত ভয়ংকর জানা আছে?
নোবেল কমিটি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে লাজলোর উপন্যাস “Herscht 07769”-এর কথা। তাদের মতে, “এই উপন্যাসে হাঙ্গেরির সামাজিক অস্থিরতা ও মানবসমাজের ভাঙনের ছবি অনুপমভাবে ফুটে উঠেছে।” কমিটির বর্ণনায় এটি একটি “দুর্দান্ত সমসাময়িক ইউরোপীয় উপন্যাস”, যা সমাজ ও ব্যক্তিসত্তার টানাপোড়েনকে গভীর প্রতীকে ধরতে পেরেছে।

সমালোচক ও সাহিত্যবিশ্বের প্রতিক্রিয়া (Nobel Prize in Literature)
সাহিত্যবিশ্বের বিশ্লেষকদের মতে, লাজলো ক্রাজনাহোরকাই আধুনিক ইউরোপীয় সাহিত্যে ফ্রানৎস কাফকার প্রকৃত উত্তরাধিকারী। তাঁর লেখায় জটিলতা, ব্যঙ্গ, এবং মানব অস্তিত্বের অন্ধকার দিকের এক কাব্যময় অনুসন্ধান লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই তাঁকে বর্তমান বিশ্বের সেরা পাঁচ ঔপন্যাসিকের অন্যতম হিসেবে গণ্য করেন, ফলে তাঁর নোবেল জয় ছিল প্রত্যাশিতই।

লাজলোর উল্লেখযোগ্য রচনাগুলি (Nobel Prize in Literature)
- Herscht 07769
- Sátántangó (১৯৮৫)
- War and War
- The Melancholy of Resistance
- A Mountain to the North, a Lake to the South, Paths to the West, a River to the East (২০০৩)
- Seiobo There Below (২০০৮) — ১৭টি ছোটগল্পের সংকলন, যেখানে পৌরাণিকতা ও আধ্যাত্মিকতা মিশেছে গভীর বাস্তববোধের সঙ্গে।



