Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গোপাল শীল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: পিয়ালীর ঘোলাঘাটায় ভয়াবহ বাজি বিস্ফোরণের ঘটনার পরই সামনে এল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য (Piali)। বিস্ফোরণস্থল থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বেই নাকি হদিশ মিলেছে একটি বেআইনি বাজি তৈরির কারখানার। ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকার মধ্যে, বসতবাড়ির একেবারে লাগোয়া জায়গায় কীভাবে দিনের পর দিন এই ধরনের কারখানা চলছিল, তা নিয়েই এখন উঠছে বড় প্রশ্ন।
তৈরি হচ্ছিল হাজার হাজার চকলেট বোম? (Piali)
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ওই বেআইনি কারখানায় বিপুল পরিমাণে চকলেট বোম-সহ বিভিন্ন ধরনের বাজি তৈরি করা হচ্ছিল। যেখানে সামান্য অসাবধানতাতেই আগুন বা বিস্ফোরণ ঘটতে পারে, সেখানে বসতবাড়ির এত কাছে বিপজ্জনক রাসায়নিক ও দাহ্য সামগ্রী মজুত এবং বাজি তৈরির কাজ কীভাবে চলছিল, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পিয়ালীর সাম্প্রতিক বিস্ফোরণের পর এই অভিযোগ সামনে আসায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে। তাঁদের আশঙ্কা, একটি কারখানায় দুর্ঘটনা ঘটলে তার প্রভাব মুহূর্তের মধ্যে আশপাশের বাড়িগুলিতেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
চম্পাহাটি—ছড়িয়ে বেআইনি কারবার? (Piali)
শুধু ঘোলাঘাটা বা পিয়ালী নয়, হারাল, চম্পাহাটি এবং পিয়ালী এলাকাতেও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে একাধিক বেআইনি বাজি কারখানা থাকার অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে জনবসতির মধ্যে এই ধরনের কারবার চললে তা শুধু আইনভঙ্গের বিষয় নয়, সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পত্তির জন্যও বড়সড় ঝুঁকি তৈরি করে।
বিস্ফোরণের পর প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন (Piali)
ঘটনার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে। জনবসতির মধ্যে বেআইনি কারখানা চললে তা আগে কেন চিহ্নিত করা গেল না? কোথা থেকে এল কাঁচামাল? কীভাবে তৈরি হচ্ছিল বিপুল পরিমাণ বাজি? এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজতে তদন্ত জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
আরও পড়ুন: Amit Shah: ভারত-নেপাল ও ভারত-ভুটান সীমান্ত নিয়ে বৈঠক, উত্তরবঙ্গে অমিত শাহের বিশেষ নজরে ‘চিকেনস নেক’
নজরদারি বাড়ানোর দাবি
পিয়ালীর বিস্ফোরণ যেন আরও বড় বিপদের পূর্বাভাস না হয়ে ওঠে, সে জন্য অবিলম্বে বেআইনি বাজি কারখানাগুলি চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে বৈধ কারখানাগুলির ক্ষেত্রেও অগ্নিনিরাপত্তা ও সরকারি বিধি মেনে কাজ হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ বাজির কারবারে সামান্য গাফিলতিও মুহূর্তে বদলে দিতে পারে বহু পরিবারের জীবন।



