Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পাক অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে (পিওজেকে) বিক্ষোভ ঘিরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে(POJK Firing Order)। আন্দোলনের অন্যতম নেতা ও জয়েন্ট অ্যাওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)-র নেতা শওকত মীর দাবি করেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে “গণহত্যা” চালিয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে “দেখামাত্র গুলি করার” নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরাসরি গুলি চালনার অভিযোগ (POJK Firing Order)
এক বার্তায় মীর অভিযোগ করেন, রাওয়ালাকোটে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনী সরাসরি গুলি চালিয়েছে। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ের জন্য পরিচালিত অহিংস ও নিরস্ত্র আন্দোলনকে পাকিস্তান সরকার সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
মীর বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণ মানুষ। আমরা শুধু আমাদের মৌলিক অধিকার চেয়েছি। পাকিস্তানের রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলিনি। তবুও আমাদের সন্ত্রাসবাদী বলা হচ্ছে। যদি আমরা সন্ত্রাসবাদী হই, তাহলে সরকার আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিল কেন?”
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভ দমনে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে সাতজন বেসামরিক নাগরিক এবং চারজন পুলিশ সদস্য। এছাড়া বহু মানুষ আহত হয়েছেন। প্রশাসন পুরো অঞ্চলে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে এবং অতিরিক্ত ১৪ হাজার নিরাপত্তাকর্মী চেয়েছে।
তবে জেএএসি-এর দাবি, নিহতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের তুলনায় অনেক বেশি। সংগঠনটির মতে, অন্তত ২৭ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ২০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।
জেএএসি মূলত ১৯৪৭ সালের পর পাকিস্তানে বসবাসকারী শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আইনসভা আসন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করছে। সংগঠনের অভিযোগ, এই আসনগুলোর মাধ্যমে পাকিস্তানের মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলো পিওজেকের সরকার গঠনে প্রভাব বিস্তার করে(POJK Firing Order)।
মঙ্গলবার জেএএসি অঞ্চলজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে(POJK Firing Order)। আগামী ২৭ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর দিনেই এই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এর আগে চলতি মাসে পাকিস্তান সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় জেএএসি-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।



