Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রততী সরকার: ভয়াবহ বন্যা এবং ভূমিধ্বসে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে রেকর্ড গড়লেন নেপালের প্রথম মহিলা হেলিকপ্টারচালক প্রিয়া অধিকারী (৪০) (Priya Adhikari)। নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধার করে পৌঁছে দিয়েছেন নিরাপদ জায়গায়। ছ’দিনে প্রায় ১০০টি অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। মোট ২০টি হেলিকপ্টার নেপালের আকাশে অবিরাম উড়ে চলেছে উদ্ধারের উদ্দেশ্যে।
নেপালের বন্যা পরিস্থিতি (Priya Adhikari)
বন্যাবিধ্বস্ত নেপালের রসুয়া জেলার তিমুর গ্রামে ভয়াবহ ভূমিধ্বস এবং বন্যার পর আটকে পড়েছেন বহু মানুষ। এখনও অনেকেই নিখোঁজ। অবস্থা এতটাই খারাপ যে অভিযান কাজে বেছে নেওয়া হয়েছে আকাশপথকেই। নিহতের সংখ্যা ছুঁয়েছে হাজার। গৃহহীন অসংখ্য মানুষ। দুর্গত এলাকায় খাবার, ওষুধ ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছেন প্রিয়া। এই দুর্যোগে উদ্ধারকাজে একটানা উদ্ধার অভিযান চালানোর জন্য প্রভাব পড়েছে কপ্টারচালকদের শরীরে ও মনে। বন্যার পর জমে থাকা পুরু কাদা উদ্ধারকাজকে আরও অনেকটাই কঠিন করে তুলেছে। এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়া জানান, ‘আমাদের এর জন্যই প্রশিক্ষন দেওয়া হয়েছে।’
কে এই প্রিয়া অধিকারী ? (Priya Adhikari)
নেপালের কাঠমান্ডুর এক পরিবারে জন্ম হয় প্রিয়ার। বাড়ির চার বোনের জন্য ছিল সমান শিক্ষার গুরুত্ব। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তিনি নেপালি, ইংরেজি, এবং হিন্দি ভাষায় কথা বলতে পারেন। তাঁর বিমানচালক হওয়ার পথটা সহজ ছিল না। বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করলেও তিনি কেরিয়ারের শুরুতে ৫ বছর কেবিন ত্রু হিসাবে কাজ করেছেন। এরপর হেলিকপ্টারের প্রশিক্ষণের জন্য তিনি ফিলিপাইনে যান। ২০১৭ সালে প্রয়োজনীয় উড্ডয়ন ঘণ্টা সম্পন্ন করার পর তিনি নেপালের প্রথম পূর্ণকালীন হেলিকপ্টার পাইলট হিসাবে কাজে যোগ দেন।
আরও পড়ুন: Abhishek Banerjee: সুপ্রিম কোর্টের অনুমতিতে বিদেশ গেলেন অভিষেক
অবসর সময়ে কী করতে পছন্দ করেন প্রিযা?
এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াকে এই প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, তাঁর হাতে অবসর সময় বলে তেমন কিছু নেই। তবে ফ্লাইট শেষ হলে তিনি সোজা চোলে যান জিমে। এছাড়াও তিনি বক্সিং করতে এবং দৌড়াতে ভালোবাসেন। এছাড়াও তাঁর দুটি কুকুর রয়েছে- ‘ব্লু’ এবং ‘বেরি’। ওদের সাথে সময় কাটাতেও তাঁর ভালোলাগে।



