Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: “দুর্গাপূজা মানে কোটি কোটি টাকার অর্থনীতি, জামাকাপড়, মণ্ডপসজ্জা, আলোকশিল্পী, ফুচকা, চা, বিরিয়ানি ও রোলের স্টল (Puja Economy)। কিন্তু সবথেকে বড় নৈতিক দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে মদ্যপান ও রাজস্ব নিয়ে। আমাদের রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য তীব্র আক্ষেপ করে বলেছেন, রাজ্যের আয়ের মূল উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে মদ আর পেট্রোল! পূজার সময় বাঙালি দেদার মদ খায়, সরকারের প্রচুর আয় হয়।
এখন মূল্যবোধের প্রশ্ন (Puja Economy)
বাঙালি কি বেশি করে মদ খেয়ে সরকারের আয় বাড়িয়ে দিয়ে সরকারের পাশে দাঁড়াবে, নাকি পুজোয় সংযম পালন করবে? নাকি মদ খেতে খেতে বাঙালি বলবে, ‘ঢাল আরেক পেগ ঢাল, নেহাত সরকারের পাশে দাঁড়াতে হবে তাই আজ আমি মাতাল! না হলে আমি এসব ছিঃ!’
বাঙালির সামনে কঠিন প্রশ্ন (Puja Economy)
পূজার সময় কোনটা থেকে বেশি দূরে থাকা উচিত? মাংস, নাকি মদ? মাংস আমিষ জানি, কিন্তু পুজোর সময় মদ বস্তুটা কি? শমীকবাবু ও মদনদাকে মুখোমুখি বসিয়ে আলোচনার মাধ্যমেই হয়তো এর উত্তর পাওয়া যাবে।”
আরও পড়ুন: Abhishek Banerjee PA: সুমিত রায়ের আগাম জামিন শুনানিতে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্স’ নিয়ে সরব সুপ্রিম কোর্ট
মদের দোকানের লাইসেন্স বাতিল
নতুন সরকার আসার পরে আজ থেকে দুমাস আগে রাজ্য সরকারের বাজেট ঘোষণার দিন একটি বড়ো ঘোষণা করেন মাননীয় স্পিকার। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিদ্যালয়, হাসপাতাল, মন্দিরের আশেপাশে এক কিলোমিটারের মধ্যে কোনো মোদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়া হবে না।



