Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মহারাষ্ট্রের পুনে জেলার পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় এলাকায় বুধবার একটি বহুতল ভবন হঠাৎ ধসে পড়ায় অন্তত ১৫ জন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে(Pune building collapse)। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবার কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।
টানা ভারী বর্ষণে ধসল বহুতল (Pune building collapse)
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে পুনে ও আশপাশের এলাকায় টানা ভারী বর্ষণের জেরে মাটির অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে। সেই কারণেই ভবনটি ধসে পড়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তবে এখনও পর্যন্ত ভবন ধসের সঠিক কারণ সম্পর্কে প্রশাসনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
উদ্ধারকারীরা ভারী যন্ত্রের সাহায্যে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের খোঁজ চালাচ্ছেন। ঘটনাস্থলে একাধিক অ্যাম্বুল্যান্স এবং চিকিৎসক দল মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া যায়। নিরাপত্তার স্বার্থে গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে।
এদিকে, মহারাষ্ট্রজুড়ে চলা প্রবল বর্ষণের কারণে নতুন করে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুনে ও পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ে গত এক সপ্তাহ ধরে অবিরাম বৃষ্টির ফলে বন্যা, জল জমে যাওয়া এবং বিভিন্ন স্থানে কাঠামোগত ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। বন্যাপ্রবণ এলাকা থেকে ইতিমধ্যেই ৬,০০০-এরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) জেলার একাধিক অংশে অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করে আগামী কয়েকদিন আরও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দিয়েছে।
প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহেই পুনেতে গড় মাসিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছাড়িয়ে গেছে। এর জেরে ভূমিধস, পাঁচিল ধস এবং অন্যান্য বর্ষাজনিত দুর্ঘটনায় একাধিক প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে(Pune building collapse)।
আরও পড়ুন: ISRO Success: ইসরোর বড় সাফল্য: LVM 3-র CE20 ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন পরীক্ষায় সবুজ সংকেত
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই মুম্বইয়ের মানখুর্দ এলাকায় প্রবল বৃষ্টির মধ্যে একটি তিনতলা আবাসিক ভবন ধসে পড়ে পাঁচ শিশুসহ মোট ছয়জনের মৃত্যু হয়েছিল(Pune building collapse)। পুনের এই নতুন ঘটনা ফের বর্ষাকালে পুরনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিল। উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত আটকে পড়াদের প্রকৃত সংখ্যা এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র স্পষ্ট হবে না।



