Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: পাঞ্জাবের বন্যা পরিস্থিতি (Punjab Flood) ক্রমেই জটিল হচ্ছে। এই পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বৃহস্পতিবার রাজ্যের দু’টি অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত জেলা, অমৃতসর ও গুরুদাসপুর পরিদর্শন করলেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। তিনি জানান, রাজ্যে ক্ষতির পরিমাণ যাচাইয়ের জন্য কেন্দ্র ইতিমধ্যেই দুটি বিশেষ দল পাঠিয়েছে।
কৃষিমন্ত্রীর বক্তব্য (Punjab Flood)
চৌহান বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমি এখানে (Punjab Flood) এসেছি। রাজ্যের ১৪০০-এরও বেশি গ্রাম ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শস্যের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই কঠিন সময়ে কেন্দ্র সরকার কৃষক ও রাজ্যবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছে।” অমৃতসর জেলার বিভিন্ন প্লাবিত অঞ্চল ঘুরে দেখেন মন্ত্রী এবং সেখানকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত চাষের জমিও পরিদর্শন করেন এবং কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি তাদের দুর্দশার কথা শোনেন।
বিপুল ক্ষতি (Punjab Flood)
পাঞ্জাব সরকার বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, রাজ্যে ভয়াবহ বন্যায় ৩৭ (Punjab Flood) জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রায় ১,৬৫৫টি গ্রাম বন্যার কবলে পড়েছে। গুরুদাসপুর সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা-৩২৪টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এরপর রয়েছে অমৃতসর (১৯০), কপুরথলা (১২৩), হোশিয়ারপুর (১২১), ফিরোজপুর (১১১) এবং সঙ্গরুর (১০৭)। মোট ১,৭৫,২১৬ হেক্টর কৃষিজমি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

প্রশাসনের তৎপরতা
বন্যার মোকাবিলায় রাজ্যজুড়ে জোরদার উদ্ধার ও ত্রাণ অভিযান শুরু হয়েছে। অমৃতসর জেলার প্লাবিত গ্রামগুলোতে ড্রোনের সাহায্যে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছে পাঞ্জাব পুলিশ। বিশেষত আজনালা অঞ্চলে চলছে এই কার্যক্রম। পাশাপাশি, সতলুজ নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে বিভিন্ন ত্রাণ শিবিরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এদিকে, মহালির ডেরাবাসি এলাকায় প্রশাসনিক তৎপরতা খতিয়ে দেখতে হঠাৎ পরিদর্শনে যান অতিরিক্ত জেলা শাসক (শহরোন্নয়ন) অমল সিং ধালিোয়াল। তিনি গুলমোহর এক্সটেনশন, এটিএস মিডোজ, কৃষ্ণ এনক্লেভ এবং গুলমোহর সোসাইটির মতো বন্যাপ্রবণ এলাকা ঘুরে দেখেন।
আরও পড়ুন: Indian Population: ৫০ বছরে ভারতে মৃত্যুহার অর্ধেক, শিশুমৃত্যুও রেকর্ড হারে কমেছে!
ধালিোয়াল জানান, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াই এখন প্রধান লক্ষ্য। তিনি পৌরসভার আধিকারিকদের সব রকম যন্ত্রপাতি ও কর্মী প্রস্তুত রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “জলনিকাশি ব্যবস্থা রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই অনেক সময় প্লাবনের ভয়াবহতা বাড়ে। ড্রেন এবং নর্দমা পরিষ্কার রাখাটাই এখন সবচেয়ে জরুরি।”


