Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দু’দিনের রাষ্ট্র সফরে বৃহস্পতিবার ভারতে আসছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন (Putin Visit India)। তার আগে মঙ্গলবার রুশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ স্টেট ডুমা ভারতের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক চুক্তিতে অনুমোদন দিয়েছে। এই চুক্তির নাম ‘রেসিপ্রোকাল এক্সচেঞ্জ অফ লজিস্টিক সাপোর্ট’ (আরইএলওএস), যা দুই দেশের মধ্যে লজিস্টিক সাহায্যের আদানপ্রদানের একটি কাঠামো স্থাপন করছে।
পারস্পরিক সহযোগিতা দৃঢ় করবে (Putin Visit India)
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে দিল্লি ও মস্কোর মধ্যে (Putin Visit India) এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। আরইএলওএস চুক্তি কেবল সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি যৌথ প্রশিক্ষণ, মহড়া এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা কার্যক্রমকে আরও সুসংহত করার সুযোগ করে দেবে। চুক্তির অনুমোদনের পর রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ স্পিরাক ভ্যাচেস্লভ ভলোদিন বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের কৌশলগত সম্পর্ক দীর্ঘমেয়াদী এবং আমরা এই সম্পর্ককে গুরুত্ব দিই। এই চুক্তি আমাদের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও দৃঢ় করবে।”

ভারত ও রাশিয়ার মধ্যকার বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা আরও মজবুত করা (Putin Visit India)
পুতিনের ভারত সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন ভারতের এবং (Putin Visit India) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক কিছু জটিলতা লক্ষ্য করা গেছে। এ পরিস্থিতিতে পুতিনের উদ্দেশ্য ভারত ও রাশিয়ার মধ্যকার বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা আরও মজবুত করা। রাশিয়ার তেলের পাশাপাশি সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহও দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে রাশিয়া ভারতের মূল যুদ্ধ সরঞ্জাম সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করে আসছে।
আরও সমন্বিতভাবে কাজ
আরইএলওএস চুক্তির মাধ্যমে রাশিয়া থেকে ভারতের কাছে যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান এবং অন্যান্য সামরিক উপকরণ সরবরাহের নিয়মনীতি পরিষ্কারভাবে নির্ধারিত হয়েছে। একইসাথে ভারতের পক্ষ থেকেও সামরিক সহযোগিতার কাঠামো উল্লেখ রয়েছে। ফলে দুই দেশের বাহিনী যৌথ মহড়া ও প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রতিরক্ষা কার্যক্রমে আরও সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারবে।
পরমাণু রিঅ্যাক্টর নির্মাণ
পুতিনের সফরের সময় অসামরিক পরমাণু শক্তির ক্ষেত্রেও দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার সম্ভাবনা রয়েছে। রাশিয়া ইতিমধ্যেই সমঝোতা স্মারকে অনুমোদন দিয়েছে, যা রোসাটমের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। রোসাটম ইতিমধ্যেই তামিলনাড়ুতে কিছু পরমাণু রিঅ্যাক্টর নির্মাণ করছে।

আরও পড়ুন: Virat Kohli: আত্মবিশ্বাসী কোহলির জন্য কি নিয়ম পাল্টাতে বাধ্য হবে বোর্ড?
এছাড়া, পশ্চিমা দেশগুলোর আপত্তি এবং মার্কিন হুমকির মধ্যেও ভারত রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানি চালু রেখেছে। সামান্য হ্রাসের পরও ভারতের তেলের বড় অংশ এখনো রাশিয়া থেকে আসে। পুতিনের সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য-এই বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে নিশ্চিত করা এবং দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা।


