Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শিডিউল-১-এর অজগর গলায় পেঁচিয়ে চল্লো উল্লাশ, তোলা হলো সেলফি! বন্যপ্রাণী আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রশ্নের মুখে সচেতনতা ও বন দফতরের ভূমিকা (Python)। চাঞ্চল্য মেটলি তে। ঘড়ের টুইয়ে উঠে পড়া প্রায় ১০ ফুট লম্বা একটি অজগর সাপ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল জলপাইগুড়ি জেলার মালবাজার মহকুমার মাটিয়ালি ব্লকের বিধাননগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। তবে উদ্ধারের পর যে দৃশ্য সামনে এসেছে, তা নিয়ে উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন।

গলায় পেঁচিয়ে ছবি (Python)
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অজগরটিকে ধরে গলায় পেঁচিয়ে ছবি তোলেন, সেলফি তোলেন এবং উল্লাসে মেতে ওঠেন। গোটা ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দিও হয়। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের আচরণ শুধু অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণই নয়, বন্যপ্রাণীর ওপর নির্যাতনেরও সামিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিধাননগর এলাকার একটি ঘড়ের টুইয়ে অজগরটি উঠে পড়লে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এরপর স্থানীয়রাই সেটিকে ধরে ফেলেন। কিন্তু বন দপ্তরের হাতে তুলে দেওয়ার পরিবর্তে দীর্ঘক্ষণ সাপটিকে নিয়ে ছবি তোলা ও প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে।
বন দপ্তরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে (Python)
খবর পেয়ে বন দফতরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অজগরটিকে উদ্ধার করে নিরাপদে জঙ্গলে ছেড়ে দেন। উল্লেখ্য, ভারতীয় বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইন, ১৯৭২ অনুযায়ী ভারতীয় অজগর শিডিউল–১-এর অন্তর্ভুক্ত সংরক্ষিত প্রাণী। অনুমতি ছাড়া এ ধরনের বন্যপ্রাণী ধরা, বহন করা, প্রদর্শন করা বা বিরক্ত করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

আরও পড়ুন : Taratala Compensation: মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
একাধিক প্রশ্ন উঠছে
এই ঘটনার পর একাধিক প্রশ্ন উঠছে বন্যপ্রাণী আইন অমান্য করে প্রকাশ্যে সাপ নিয়ে উল্লাস, গলায় পেঁচিয়ে সেলফি তোলা ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারের প্রবণতা কেন বাড়ছে? এমন ঘটনা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বন দফতরের নজরদারি ও আইন প্রয়োগ কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন পরিবেশপ্রেমী ও স্থানীয়দের একাংশ।



