Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আট মাসের ব্যবধান। ফের দক্ষিণ ২৪ পরগনার নাজিরাবাদে আগুন লাগল মোমো গোডাউনে (South 24 Parganas)। শুক্রবার গভীর রাতে আচমকাই ওই গোডাউন থেকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের চারটি ইঞ্জিন। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ আহত হননি বলেই জানা গিয়েছে।

দাউদাউ করে ছড়িয়ে পড়ে আগুন (South 24 Parganas)
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম অগ্নিকাণ্ডের পর গোডাউনের একটি অংশে কিছু দাহ্য পদার্থ রাখা ছিল। শুক্রবার রাতে সেই জায়গাতেই ফের আগুন লাগে। সেই সময় সেখানে কেউ ছিলেন না। ফলে বড়সড় প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে দাহ্য পদার্থের উপস্থিতির কারণে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়েই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজে নামে দমকল। চারটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। শনিবার সকালেও পুলিশ ও দমকলের নজরদারি জারি ছিল।
আগের ঘটনার পরেও কেন রাখা হল দাহ্য পদার্থ? (South 24 Parganas)
ঘটনার পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে গোডাউনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। কয়েক মাস আগেই যেখানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল, সেখানে ফের কীভাবে দাহ্য পদার্থ রাখা হল? গোডাউনে দাহ্য পদার্থ থাকলেও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। দমকল ও পুলিশের আধিকারিকরা গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। আগুন কীভাবে লাগল, সেখানে নিরাপত্তা বিধি মানা হয়েছিল কি না এবং আগের অগ্নিকাণ্ডের পর প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়া হয়েছিল কি না—সব দিকই তদন্তের আওতায় রয়েছে।
‘আগুন লাগিয়ে দেওয়া হতে পারে’, ইঙ্গিত বিধায়কের
ঘটনাস্থলে যান সোনারপুর উত্তরের বিধায়ক দেবাশিস ধর। তিনি গোডাউনের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন লাগানোর সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি। তাঁর দাবি, পরিত্যক্ত গোডাউনে তেল জাতীয় দাহ্য পদার্থ রাখা ছিল। সেখানেই আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।



