Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত উত্তর দিনাজপুরের রাজনৈতিক ও ছাত্র রাজনীতি (Raiganj University)। মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে এবিভিপি ও এসএফআই-এর ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দু’পক্ষেরই একাধিক ছাত্র আহত হন বলে দাবি। দিনের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরেই যে উত্তেজনার সূত্রপাত, সন্ধ্যায় তা গড়িয়ে যায় রায়গঞ্জ থানা চত্বর পর্যন্ত।

বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে সংঘর্ষ, আহত একাধিক (Raiganj University)
অভিযোগ, মঙ্গলবার সকালে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপি ও এসএফআই-এর ছাত্রদের মধ্যে বচসা থেকে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। দু’পক্ষের ছাত্রদের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন বলে দাবি সংগঠনগুলির। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
অভিযোগ জানাতে থানায় দুই ছাত্র সংগঠন (Raiganj University)
বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনার পর সন্ধ্যায় এবিভিপি এবং এসএফআই—দুই ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরাই অভিযোগ জানাতে রায়গঞ্জ থানায় পৌঁছন। কিন্তু থানায় দুই পক্ষের উপস্থিতির পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ছাত্র সংগঠনের পাশাপাশি সেখানে পৌঁছে যান বিজেপি এবং সিপিআইএমের কর্মী-সমর্থকেরাও।

থানার সামনেই রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ
এরপরই রায়গঞ্জ থানা চত্বরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ ওঠে, থানার মধ্যেই সিপিআইএম নেতা উত্তম পালকে ব্যাপক মারধর করা হয়েছে। এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে বাম শিবির। অন্যদিকে বিজেপির এক কর্মীকেও সিপিআইএম কর্মীরা টেনে-হিঁচড়ে থানায় নিয়ে আসে বলে পাল্টা অভিযোগ উঠেছে।
আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগেও চাঞ্চল্য (Raiganj University)
এখানেই শেষ নয়। এক সিপিআইএম-ঘনিষ্ঠ আইনজীবীকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে ছাত্র সংঘর্ষের জেরে থানায় আসা দুই পক্ষের রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ ঘিরে থানা চত্বরে তৈরি হয় ব্যাপক উত্তেজনা।

পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
শেষ পর্যন্ত রায়গঞ্জ থানার পুলিশ হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংঘর্ষ কীভাবে থানার চত্বর পর্যন্ত পৌঁছল এবং সেখানে ঠিক কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িতদের ভূমিকা যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।



