Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ডিজিটাল প্রতারণা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ জারি করেছে। একটি বড়সড় “ডিজিটাল অ্যারেস্ট” প্রতারণার ঘটনায় পাঁচটি ব্যাঙ্ককে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে RBI(RBI Fraud). একই সঙ্গে এই মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন থাকায় গোটা ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
১.৩১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ (RBI Fraud)
ফেব্রুয়ারি ২৫ তারিখের নির্দেশে অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক, সিটি ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্ক এবং ইয়েস ব্যাঙ্ককে মোট ১.৩১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ, এই ব্যাঙ্কগুলির অধীনে থাকা “মিউল অ্যাকাউন্ট” পর্যবেক্ষণ এবং KYC নিয়ম মানায় গুরুতর গাফিলতি ছিল।
প্রতারণার শিকার অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্কার
প্রতারণার শিকার হন ৭৮ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্কার নরেশ মালহোত্রা। তিনি দাবি করেছেন, প্রায় ২৩ কোটি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে তাঁর কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি শুরু হয় ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট, যখন এক ব্যক্তি নিজেকে মুম্বই পুলিশের অফিসার পরিচয় দিয়ে ফোন করেন। তাঁকে মিথ্যা মাদক পাচারের অভিযোগে ফাঁসানো হয় এবং পরে ভুয়ো তদন্তের নামে ভয় দেখানো হয়।
ভয় দেখিয়ে প্রতারণা (RBI Fraud)
ক্রমশ তাঁকে “ডিজিটাল অ্যারেস্ট”-এর মধ্যে রাখা হয়, যাতে তিনি বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারেন। ভয় দেখিয়ে তাঁকে একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর করতে বাধ্য করা হয়। পরে এই টাকা বিভিন্ন মিউল অ্যাকাউন্টে ভাগ করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: Tulsi Contro: তুলসি গ্যাবার্ডকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে: হোয়াইট হাউস থেকে পদত্যাগের বার্তা
পূর্ণ ক্ষতিপূরণের দাবিতে লড়াই (RBI Fraud)
RBI জানিয়েছে, ভুক্তভোগী নিজেই লেনদেন করায় প্রেরক ব্যাঙ্কগুলির ত্রুটি নেই। তবে যেসব ব্যাঙ্কে টাকা জমা হয়েছিল, সেখানে KYC ও নজরদারির ঘাটতি ছিল। তদন্তে জানা যায়, ১৬টি শাখার মাধ্যমে ২১টি প্রাথমিক লেনদেন করে পরে হাজার হাজার ট্রান্সফারে টাকা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এখনও পর্যন্ত মালহোত্রা প্রায় ১.৯১ কোটি টাকা ফেরত পেয়েছেন, তবে তিনি পূর্ণ ক্ষতিপূরণের দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।



