Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ডায়েট বা ডায়াবিটিসের প্রসঙ্গ (Rice Cooking) এলেই যে খাবারটি প্রথম সন্দেহের তালিকায় চলে আসে, তা হল ভাত-বিশেষ করে সাদা ভাত। বহু মানুষ মনে করেন, ওজন কমাতে বা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভাত পুরোপুরি বাদ দেওয়াই একমাত্র উপায়। অথচ বাস্তবে ভাত সম্পূর্ণ ত্যাগ না করেও, রান্নার কৌশলে সামান্য পরিবর্তন এনে তাকে অনেকটাই স্বাস্থ্যসম্মত করে তোলা সম্ভব।
রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায় (Rice Cooking)
বিশেষজ্ঞদের মতে, সমস্যাটা ভাত নয়, বরং (Rice Cooking) আমরা যেভাবে ভাত রান্না ও খাই, সেটাই আসল বিষয়। সাদা ভাতে থাকা স্টার্চ খুব দ্রুত ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হয়, ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়। কিন্তু রান্নার সময়ে একটি নির্দিষ্ট উপাদান যোগ করলে এবং কিছু ধাপ মেনে চললে এই প্রভাব অনেকটাই কমানো যায়। সেই উপাদানটি হল নারকেল তেল।

ক্যালোরির কার্যকর প্রভাব (Rice Cooking)
আধুনিক পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চাল সেদ্ধ (Rice Cooking) করার সময় সামান্য নারকেল তেল ব্যবহার করলে ভাতের গঠন বদলে যায়। এতে ভাতের স্টার্চ এমন এক রূপ নেয়, যা শরীর সহজে হজম করতে পারে না। এর ফলে ভাত খাওয়ার পর রক্তে গ্লুকোজ দ্রুত বাড়ে না এবং ক্যালোরির কার্যকর প্রভাবও কমে যায়।
কীভাবে রান্না করবেন?
- এই বিশেষ পদ্ধতিতে ভাত রান্নার আগে প্রথমেই চাল কিছুক্ষণ জলে ভিজিয়ে রাখা ভালো। তারপর বেশি পরিমাণ জল দিয়ে চাল সেদ্ধ করলে চালের মধ্যে থাকা আর্সেনিকের পরিমাণ অনেকটাই কমে আসে। জল ফুটতে শুরু করলে তাতে অল্প পরিমাণ নারকেল তেল মেশাতে হয়। সাধারণভাবে প্রতি কাপ চালে দুই চা-চামচ নারকেল তেল যথেষ্ট। ভাত রান্না হয়ে গেলে সেটিকে ভালোভাবে ঠান্ডা করে নিতে হয়।
- এখানেই শেষ নয়। এই পদ্ধতির আর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল ভাত ঠান্ডা করে অন্তত ১২ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দেওয়া। ঠান্ডা হওয়ার সময়ে ভাতের স্টার্চ ‘রেজ়িস্ট্যান্ট স্টার্চ’-এ রূপান্তরিত হয়, যা অন্ত্রে গিয়ে উপকারী ব্যাক্টেরিয়ার খাদ্য হিসেবে কাজ করে। ফলে হজমশক্তি উন্নত হয় এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্যও ভালো থাকে।

আরও পড়ুন: Humayun Kabirs Party: আচরণ “অপবিত্র”! রাত পেরোতেই প্রার্থী বাতিল হুমায়ুনের…
এইভাবে রান্না করা ভাত শুধু ডায়াবিটিসে ভোগা মানুষদের জন্যই নয়, ওজন কমাতে ইচ্ছুক বা হালকা খাবার খেতে চান এমন সবার জন্যই উপকারী হতে পারে। স্বাদে খুব বেশি পরিবর্তন না এলেও শরীরের উপর প্রভাব পড়ে ইতিবাচক।


