Last Updated on [modified_date_only] by Anustup Roy Barman
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: ঋতুপর্ণ ঘোষ (Rituparno Ghosh) শুধু টলি ইন্ডাস্ট্রির মানুষ ছিলেন এমনটা নয়, তিনি ছিলেন বাংলার মানুষের কাছে অন্যতম প্রিয় ব্যক্তি। ২০১৩ সালে ৩০ মে পাড়ি দেন না ফেরার দেশে। গতকাল অর্থাৎ ৩০ মে তাঁর স্মৃতি চারনায় ডুব দিলেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী (Raj Chakraborty), কৌশিক গাঙ্গুলী (Kaushik Ganguly) এবং প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee)। সবাই নিজেদের মতো করে ঋতুপর্ণ ঘোষকে নিয়ে নিজেদের ভালোলাগা, ভালো বাসা ও অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করলেন ট্রাইব টিভির সাথে। কী বললেন তাঁরা ঋতুপর্ণ ঘোষকে নিয়ে? দুর্দান্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিলেন তাঁরা। ঋতুপর্ণ কি শুধুই পরিচালক ছিলেন? জানা গেল অনেক না জানা কথা।
সাহস দিয়েছিলেন ঋতুপর্ণ (Rituparno Ghosh)
পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষ (Rituparno Ghosh), তাঁর নাম শুধুমাত্র টলি ইন্ডাস্ট্রির সাথেই না, প্রতিটি বাংলার মানুষের মনে গেঁথে রয়েছে। পরিচালক রাজ চক্রবর্তী (Raj Chakraborty) মনে করেন, আজ তিনি যেখানে দাঁড়িয়ে আছেন, প্রতিটা অভিজ্ঞতা এবং তাঁকে মনের দিক থেকে সাহস দিয়েছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ছবিটা একটা চ্যালেঞ্জ ছিল রাজ চক্রবর্তীর কাছে। আর তারপর থেকেই বদলে যায় রাজের জীবন।
অভিভাবক হিসেবে প্রয়োজন (Rituparno Ghosh)
রাজ চক্রবর্তী (Raj Chakraborty) মনে করেন, ঋতুপর্ণকে (Rituparno Ghosh) এই সময় প্রয়োজন ছিল। বিশেষ করে বাংলা ইন্ডাস্ট্রির জন্য খুব দরকার ছিল তাঁকে। তিনি আরও বলেন, “ঋতুদা শুধু ছবি পরিচালকই নন, তিনি অভিভাবকের মতো ছিলেন। তিনি পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিটি কাজ বুঝিয়ে দিতেন। অর্থাৎ টলি ইন্ডাস্ট্রিকে তিনি পরিবারের মতো ভাবতেন। সকলে নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। আবার একে অপরের কাজের সমালোচনাও করি আবার প্রশংসাও করি। আমরা সকলে ফ্যামিলির মতোই ছিলাম। তাই আজ খুব মিস করি ঋতুপর্ণ ঘোষকে (Rituparno Ghosh)। আর তিনি পাশে থাকলে সত্যিই আরও কতদূর না যাওয়া যেত!”
আরও পড়ুন: Sonam Kapoor: সবুজ পোশাকে ইতিহাস গড়লেন সোনম! সাহসী লুকের আড়ালে বড় সিক্রেট
কী বললেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়?
ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতি নিয়ে গভীরভাবে মগ্ন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। অভিনেতার সাথে পরিচালকের সম্পর্ক ছিল বন্ধুর মতো । অভিনেতা মনে করেন, এক স্কুলে যেমন হেডমাস্টার দরকার হয়, তেমনি টলি ইন্ডাস্ট্রির জন্য ঋতুপর্ণ ঘোষকে প্রয়োজন ছিল খুবই। তিনি মনে করেন, বাংলা ছবির এক নিজস্ব ধারা আছে। আর সেই ধারাকে হারাতে দেওয়া যাবে না।
আরও পড়ুন: Mrigaya: সাক্ষীহীন রহস্যজনক মৃত্যু! শারীরিক ভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে সৌরভ
ভাবনায় কবিগুরুর লেখা
ঋতুপর্ণ ঘোষ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস অবলম্বনে বহু ছবি বানিয়েছিলেন। কবি গুরুর লেখাকে নিজের ভাবনায় ফুটিয়ে তুলেছিলেন তিনি। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় তাঁর পরিচালনায় অনেকগুলি ছবি করেছিলেন। ‘চোখের বালি’, ‘সব চরিত্র কাল্পনিক’, ‘উৎসব’, ‘দোসর’ বিশেষভাবে দর্শকদের মনে আজও বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। তিনি থাকলে আজও অনেক নতুন ধারার ছবি দর্শক দেখতে পেতেন। আর যে কারণে পরিচালক রাজ চক্রবর্তী, কৌশিক গাঙ্গুলী, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় মিস করেন ঋতুপর্ণ ঘোষকে। ইন্ডাস্ট্রিতে এই গুণী ব্যক্তির বিকল্প পাওয়া অসম্ভব।


