Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সন্দেশখালির শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে চলা সিবিআই (Sandeshkhali Sheikh Shajahan) মামলার অন্যতম প্রধান সাক্ষী ভোলা ঘোষ একটি ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন তাঁর ছেলে সত্যজিৎ ঘোষ এবং গাড়ির চালক। ভোলা ঘোষ বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় মিনাখাঁ গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
ট্রাক ভোলা ঘোষের গাড়িতে ধাক্কা মারে (Sandeshkhali Sheikh Shajahan)
ঘটনাটি ঘটেছে মালঞ্চরের দিকে যাওয়ার সময় (Sandeshkhali Sheikh Shajahan), বয়ারমারি পেট্রোল পাম্পের কাছে। গাড়িতে ভোলা ঘোষ পিছনের সিটে ছিলেন, সামনের সিটে ছিলেন তাঁর ছেলে সত্যজিৎ। সেই সময় একটি ট্রাক ভোলা ঘোষের গাড়িতে ধাক্কা মারে। ধাক্কার ফলে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং রাস্তার ধারে ভেড়িতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পরে ট্রাকটি উল্টে যায় এবং চালক পালিয়ে যায়।

ভোলা ঘোষের দাবি (Sandeshkhali Sheikh Shajahan)
ভোলা ঘোষের দাবি, তিনি ছেলেকে নিয়ে (Sandeshkhali Sheikh Shajahan) আদালতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু দুর্ঘটনার কারণে তাঁর ছেলে ও গাড়ির চালকের মৃত্যু হয়েছে। প্রাণে বেঁচে যাওয়ায় ভোলা ঘোষ বলেন, “আমরা আদালতের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলাম, কিন্তু আচমকা এই দুর্ঘটনার শিকার হলাম। আমার ছেলে আর চালককে হারালাম।”
হত্যার ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা
এই ঘটনায় নেপথ্যে হত্যার ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, দুর্ঘটনা মূল সাক্ষীকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হতে পারে। যদিও পুলিশ এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি যে, এটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত হামলা।

তদন্ত শুরু করা হয়েছে
পুলিশ জানিয়েছে, যে ট্রাকটি এই দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে তার চালক এখনও পলাতক। তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। স্থানীয় পুলিশ জানাচ্ছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এছাড়া, ভোলা ঘোষের চিকিৎসা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে প্রশাসন সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
আরও পড়ুন: WBCHSE: উচ্চ মাধ্যমিকে এবার বরাদ্দ অতিরিক্ত সময়
শেখ শাহজাহান বর্তমানে জেলে বন্দি রয়েছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চলছে। এই পরিস্থিতিতে প্রধান সাক্ষীর উপর এ ধরনের দুর্ঘটনা নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। স্থানীয়রা বলছেন, এই ঘটনায় মামলা ও বিচার প্রক্রিয়ায় প্রভাব পড়তে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, দুর্ঘটনার সঙ্গে কোনো ধরনের দোষ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে সিবিআই ও পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে।


