Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রততী সরকার: বৃহস্পতিবার সুপ্রিমকোর্ট মুম্বই (SC Order) বিস্ফোরণ মামলায় ধৃত গ্যাংস্টার আবু সালেমের মুক্তির আবেদন খারিজ করে দিল। বম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি বিক্রম নাথ ও সন্দীপ মেহতার সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ বিষয়টি শুনানির পর আবেদনটি খারিজ করে দেয়। হাইকোর্টের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে সালেম সর্বোচ্চ আদালতে একটি আবেদন করেন। সেই আবেদনটিও খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট।
ভারত-পর্তুগাল চুক্তি (SC Order)
পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে ভারত থেকে পালিয়ে (SC Order) গিয়েছিলেন সালেম। ২০০২ সালের সেপ্টেম্বরে পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে থেকে তাঁকে গ্ৰেফতার হয়। ২০০৫ সালের নভেম্বরে পর্তুগাল থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয় সালেমকে। ২০০৬ সাল থেকে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা শুরু হয়। ২০০৭ সালে ভারত আর পর্তুগালের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার মূল শর্ত ছিল সালেম দোষী সাব্যস্ত হলেও তাঁকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া যাবে না। সিবিআই-এর আইনজীবীরা এরপরে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসাবে যাবজ্জীবনের জন্য সওয়াল করেন। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী সেই যাবজ্জীবনের মেয়াদ হতে হবে সর্বোচ্চ ২৫ বছর।
মুম্বই বিস্ফোরণ
১৯৯৩ সালের ১২ মার্চ দুপুর দেড়টা থেকে তিনটে চল্লিশের মধ্যে মোট বারো বার কেঁপে উঠেছিল মুম্বই। হামলায় প্রাণ গিয়েছিল ২৫৭ জনের। ‘টেররিস্ট অ্যান্ড ডিজরাপটিভ অ্যাক্টিভিটিস (প্রিভেনশন) অ্যাক্ট’ বা টাডা আদালতে শুরু হয় এই হামলার শুনানি। দাউদ ইব্রাহিম এবং টাইগার মেননকে মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছিল সিবিআই। আন্তর্জাতিক চুক্তি মেনে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়নি ‘আন্ডার ওয়ার্ল্ড ডন’ আবু সালেমকে। তবে বিশেষ আদালত তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেয়। ফাঁসির সাজা হয় তাহের মার্চেন্ট আর ফিরোজ আব্দুল রশিদ খানের। যাবজ্জীবন হয় অন্যতম অভিযুক্ত করিমুল্লা খানের। এছাড়াও অভিযুক্ত রিয়াজ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ প্রমান না হওয়ায়, তাঁকে অন্য অভিযোগে দশ বছরের জন্য কারাদন্ড দেওয়া হয়।


