Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শেষ ক্লোজিংয়ের কাছাকাছি বেশ কিছুক্ষণ ঘোরাফেরার পরে পয়েন্ট কমতে শুরু করে দুই বেঞ্চমার্ক ইনডেক্সের (Sensex and nifty50)।
পশ্চিম এশিয়ার অশান্তির আঁচ ফের দালাল স্ট্রিট (Sensex and nifty50)
সপ্তাহের প্রথম ট্রেডিং সেশনেই ধাক্কা খেয়েছে দালাল স্ট্রিট। মার্কেট খুলেই ধাক্কা খেয়েছে দুই বেঞ্চমার্ক ইনডেক্স। শেষ ক্লোসিংয়ের কাছাকাছি কিছুক্ষণ ঘোরাফেরা করলেও পয়েন্ট কমতে শুরু করে সেনসেক্স এবং নিফটি৫০-র। যদিও গিফ্ট নিফটি থেকেও এমনই ইঙ্গিত পাওয়া গেছিল (Sensex and nifty50)।
প্রথম ট্রেডিং সেশনের শেষে সেনসেক্স কমেছিল ৩৭২ পয়েন্ট বা ০.৪৮ শতাংশ। এই পতনের জেরে এই ইনডেক্স সূচক ছিল ৭৬,৭২৮ পয়েন্টে। অন্যদিকে নিফটি৫০ কমেছে ১১০ পয়েন্ট বা ০.৪৬ শতাংশ। এর জেরে এই ইনডেক্স সূচক নেমে গেছে ২৪০০০ নিচে। এর জেরে সপ্তাহের প্রথম দিনেই ১ লক্ষ কোটি টাকার ভ্যালু কমেছে।
দুই বেঞ্চমার্ক ইনডেক্সের পাশাপাশি পয়েন্ট কমেছে মিড ক্যাপ ও স্মল ক্যাপ ইনডেক্সগুলিরও। স্মল ক্যাপ ইনডেক্স কমেছে ০.৬২ শতাংশ এবং মিড ক্যাপ কমেছে ০.৩৭ শতাংশ। সেক্টরাল ইনডেক্সগুলি অধিকাংশই এই দিন পড়েছে পতনের কবলে। নিফটি-তে ফার্মা, মেটাল, ক্যাপিটাল মার্কেট, এনার্জি বাদে সমস্ত সেক্টরাল ইনডেক্সের পয়েন্ট কমেছে। অটো, অয়েল অ্যান্ড গ্যাস, আইটি, ব্যাঙ্কের মতো ইনডেক্সগুলির পতন হয়েছে অনেক বেশি (Sensex and nifty50)।
মার্কেট এক্সপার্টদের মতে, এ দিনের পতনের অন্যতম কারণ ছিল আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি। পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে সংঘাতের জেরে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়ে যায়। রবিবার ইরান দাবি করে, মার্কিন হামলার জবাবে তারা টানা তৃতীয় দিনের মতো পাল্টা হামলা চালিয়েছে আর সেই খবরের পরেই দালাল স্ট্রিটে নেমে এসেছে চিন্তার মেঘ।
আরও পড়ুন: Germany: চারবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে হারিয়ে দিয়ে শেষ ১৬-য় প্যারাগুয়ে
তবে পরে পরিস্থিতি কিছুটা বদলায়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, ওয়াশিংটন ও তেহরান আপাতত হামলা বন্ধ রাখতে রাজি হয়েছে। পাশাপাশি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলও স্বাভাবিক হতে পারে। দুই পক্ষের মধ্যে কারিগরি স্তরের আলোচনা চালিয়ে যাওয়ারও সিদ্ধান্ত হয়েছে তবে এরপরেও বিশেষজ্ঞদের মতে এক্ষুণি স্বস্তির জায়গা নেই (Sensex and nifty50)।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘বাজারের গুরুত্বপূর্ণ স্তরের কাছে পৌঁছতেই লগ্নিকারীদের একাংশ মুনাফা তুলে নেওয়ার পথে হাঁটেন। কারণ আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে হওয়া অন্তর্বর্তী শান্তি চুক্তি কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।’
তাঁরা আরও জানিয়েছেন, ‘এই মুহূর্তে বাজারের সামনে স্পষ্ট কোনও স্বল্পমেয়াদি দিশা নেই। প্রথম ত্রৈমাসিকের ফলও খুব উৎসাহজনক হবে বলে আশা করা যাচ্ছে না। সরবরাহে সমস্যা, মূল্যস্ফীতির চাপ এবং দুর্বল বর্ষার সম্ভাবনা, এই তিনটি কারণ আগামী দিনে সংস্থাগুলির মুনাফার উপর চাপ তৈরি করতে পারে (Sensex and nifty50)।’


