Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পরিবেশবান্ধব জৈব সিঁদুর তৈরিতে আগ্রহ বাড়ছে বীরভূম জেলার পাশাপাশি বিহার এবং উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, দিল্লি, মুম্বইয়ে। কেমিক্যাল সিঁদুরের থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন সেখানকার পাশাপাশি বীরভূমের বহু গ্রাহক। বদলে মেটে সিঁদুর ব্যবহারে আগ্রহ বেড়েছে বিবাহিত মহিলাদের। ফলে চাহিদাও বাড়ছে। আর এই বীরভূমের অবস্থিত বোলপুর শান্তিনিকেতনেই রয়েছে বিরল সিঁদুর গাছের সমারোহ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত আশ্রমে নতুন মাত্রা নিয়ে এসেছে এই গাছ। (Shantiniketan)
শান্তিনিকেতনে সিঁদুর গাছে উপচে পড়ছে ফল (Shantiniketan)
বোলপুর শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীর আশ্রম চত্বরে এই বছর বিপুল পরিমাণে ফল ধরেছে সিঁদুর গাছে। মূলত এই গাছ পাহাড়ি অঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায়। তবে শান্তিনিকেতনে বহু বছর আগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজের হাতে দেশ ও বিদেশ থেকে এনে বিশেষ কিছু গাছ লাগিয়েছিলেন। সেইসব গাছগুলির মধ্যে অন্যতম এই সিঁদুর গাছ(Sindoor)।

আশ্রমের পরিবেশের সৌন্দর্য বাড়িয়েছে সিঁদুর ফল (Shantiniketan)
আশ্রমের নীরব, সবুজ পরিবেশে বর্তমানে সেই গাছ রীতিমতো নতুন সৌন্দর্য যোগ করেছে। স্থানীয়ভাবে পরিচিত এই ভেষজ সিন্দুরের ফল থেকে তৈরি হয় প্রাকৃতিক সিঁদুর, আবির এবং বিভিন্ন খাবারের রং। বহু সধবা মহিলা আজও ঐতিহ্য মেনে এই প্রাকৃতিক সিঁদুর ব্যবহার করে থাকেন। প্রকৃতিবিদদের মতে, গাছটির বৈশিষ্ট্য ও বহুমুখী ব্যবহার এই গাছটিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়।
আরও পড়ুন: SSC-SLST: এসএসসি-র নতুন পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনের ডাক: উত্তরকন্যা অভিযানের প্রস্তুতি
পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু (Shantiniketan)
এই মুহূর্তে আশ্রম চত্বরে থাকা সিন্দুর গাছে একের পর এক লালচে, রোমশ ফলের সমাহার নজর কাড়ছে ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে বোলপুর শান্তিনিকেতনে আগত পর্যটক এবং আশ্রমিকদের। প্রকৃতির সঙ্গে ঐতিহ্যের মেলবন্ধন ঘটিয়ে শান্তিনিকেতনের পরিবেশে এক বিশেষ আবহ সৃষ্টি করেছে এই বিরল সিঁদুর গাছ।



