Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বুধবার ভারতীয় শেয়ার বাজারের (Share Market) শুরুটা বেশ দুর্বল হয়। বিশ্বজুরে রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গিয়েছে।
বাজারের প্রধান সূচকগুলির অবস্থা (Share Market)
বুধবার লেনদেন শুরু হতেই বিএসই সেনসেক্স ৮১.৮৭ পয়েন্ট বা ০.১০% কমে ৭৮,০৭২.৩৮ পয়েন্টে নেমে আসে এবং এনএসই নিফটি ৫০ ২৯.৭০ পয়েন্ট বা ০.১২% হ্রাস পেয়ে ২৪,৪৪২.০০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
বাজারে পতনের প্রধান কারণ (Share Market)
দেশীয় বাজার পতনের প্রধান কারণ হলো কাঁচামেলের দাম বৃদ্ধি এবং বিশ্বজুরে রাজতিক উত্তেজনা। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে ‘স্ট্রেইট অফ হরমুজ’ নিয়ে অচলাবস্থার কারণে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং এর জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল ১.০১% বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেল ৯০.০২ ডলারে পৌঁছেছে। জিওজিৎ ইনভেস্টমেন্টসের চিফ ইনভেস্টমেন্ট স্ট্র্যাটেজিস্ট ভিকে বিজয়কুমারের মতে, বাজার কোনও ঊর্ধ্বমুখী ব্রেকআউট করতে না পেরে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে আটকে রয়েছে এবং ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৮৯ ডলারের উপরে থাকায় বাজার বেশ চাপের মুখে রয়েছে।
ভারতীয় অর্থনীতির বৃদ্ধির চিত্র (Share Market)
কাঁচামেল ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও দেশের অর্থনৈতিক গতিপ্রকৃতি নিয়ে আশার আলো রয়েছে। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধি ৮ শতাংশ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, যা রিজার্ভ ব্যাংকের অনুমানের চেয়ে বেশি। এই অনুমান সত্যি হলে আগামী দিনে কর্পোরেট সংস্থাগুলির আয় বৃদ্ধি পাবে এবং তা শেয়ার বাজারকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে, পাশাপাশি মিড-ক্যাপ ও স্মল-ক্যাপ শেয়ারগুলিতেও ভালো গতি দেখা যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি
নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার দাম ০.৭৭% বেড়ে ৪,৪০৩.৮৪ ডলারে পৌঁছেছে। মার্কিন বাজারও দুর্বলতার মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ করেছে যেখানে নাসডাক ০.৬০% কমে এবং এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ০.৩২% কমে বন্ধ হয়েছে।
আরও পড়ুন: SBI : কলকাতা থেকে সরছে SBI-এর একাধিক দফতর, বহু কর্মী ছাঁটাইয়ের আশঙ্কা !
এশিয়ান বাজারগুলির মিশ্র প্রতিক্রিয়া
এশিয়ার প্রধান বাজারগুলিতে (Share Market) মিশ্র চিত্র দেখা গেছে যেখানে জাপানের নিক্কেই ২২৫ শূন্য দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কস্পি চার দশমিক ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও হংকংয়ের হ্যাং সেং এক দশমিক ১৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। ওদিকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চুক্তির ইঙ্গিত দিলেও, ইরান সাফ জানিয়েছে যে হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে হলে আমেরিকাকে অবরোধ তুলে নিতে হবে এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, আর এই রাজনৈতিক অনিশ্চয়তাই মূলত বিশ্ববাজার ও ক্রুড অয়েলের দামকে প্রভাবিত করছে।



