Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সাম্প্রতিক সময়ে টলিপাড়ায় সবচেয়ে আলোচিত নামগুলির মধ্যে অন্যতম সুস্মিতা রায় (Susmita)। ব্যক্তিগত জীবনের বড় সিদ্ধান্ত পুনরায় বিয়ে ঘিরে যেমন চর্চা, তেমনই প্রাক্তন সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বিতর্কও তুঙ্গে। কিন্তু এই সমস্ত কোলাহলের মাঝেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে সামনে এলেন তিনি।

নতুন জীবনের শুরু, নতুন পথচলা (Susmita)
বিয়ের পরই নিজের পেশাগত জীবনে ফিরে এসে এক ইতিবাচক বার্তা দিলেন সুস্মিতা। অফিসে প্রথম দিন যোগ দিয়েই সহকর্মীদের কাছ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়ে আবেগাপ্লুত তিনি। তাঁর কথায়, “এটা শুধু অফিস নয়, যেন একটা পরিবার।” এই বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট ব্যক্তিগত ঝড়ঝাপটা সত্ত্বেও তিনি নিজের কাজকেই জীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে চান।
প্রাক্তন সম্পর্কের বিতর্কে দৃঢ় অবস্থান (Susmita)
প্রাক্তন স্বামী সব্যসাচী চক্রবর্তী-র সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকেই নানা অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই প্রসঙ্গে সুস্মিতার বক্তব্য যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী, তিনি মনে করেন, তাঁকে ঘিরে “ওলটপালট” করার চেষ্টা চলছে, কিন্তু তিনি তাতে বিচলিত নন। তাঁর সরাসরি মন্তব্য, “আমি আর কাউকে ভয় পাই না, ব্ল্যাকমেলের শিকার হবো না।” এই বক্তব্য তাঁর মানসিক দৃঢ়তা ও আত্মনির্ভরতার ইঙ্গিত দেয়।
“কাজই সব প্রশ্নের উত্তর” (Susmita)
সমালোচনা বা বিতর্কের জবাব দেওয়ার বদলে সুস্মিতা বেছে নিয়েছেন নিজের কাজকে। তাঁর মতে, “কাজই সব কিছুর উত্তর দেয়।” এই দৃষ্টিভঙ্গি আজকের কর্মজীবী নারীদের জন্য এক বড় বার্তা নিজের পরিচয় নিজের কাজেই তৈরি হয়, ব্যক্তিগত জীবনের ঝড় তা নাড়া দিতে পারে না।

নতুন সম্পর্কে সরলতা ও স্থিরতা (Susmita)
বর্তমান স্বামী শুভাশিস-এর প্রসঙ্গে সুস্মিতার বক্তব্য অত্যন্ত সহজ ও বাস্তবসম্মত। তিনি জানান, তিনি চেয়েছিলেন— একজন “নর্মাল” মানুষ, পরিবারকেন্দ্রিক জীবন, সন্তান ও সংসারের স্বপ্ন, এই গুণগুলো তিনি শুভাশিসের মধ্যে খুঁজে পেয়েছেন বলেই এই সম্পর্কের সিদ্ধান্ত। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও স্পষ্ট করেছেন, এই নতুন সম্পর্ক তাঁর আগের বিবাহবিচ্ছেদের কারণ নয়।
বিয়ে নিয়ে জল্পনা (Susmita)
সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা গুজব যেমন আগেই বিয়ে হয়ে যাওয়ার দাবি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন সুস্মিতা। মঙ্গলসূত্র নিয়ে জল্পনার জবাবে তিনি বলেন, এটি তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দ, বিয়ের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই, এমনকি তিনি এটিকে “ডিভোর্সীদের মঙ্গলসূত্র” বলেও মজা করে উল্লেখ করেছেন এই বক্তব্যে তাঁর ব্যক্তিস্বাধীনতার ধারণা স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

অতীতের মুখোমুখি, ভবিষ্যতের দিকে দৃষ্টি (Susmita)
সুস্মিতা ইতিমধ্যেই নিজের অতীত নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। ফলে নতুন করে “গল্প সাজানোর” সুযোগ নেই বলেই তাঁর বিশ্বাস। তবে তিনি এটাও মানেন, মানুষ বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করতেই পারে, এমনকি তাঁর কাজ বা কোম্পানির ক্ষতিও করতে পারে।
কিন্তু তিনি সেই পথে হাঁটতে চান না।
“বর্তমানে বাঁচো”
সবশেষে তাঁর বার্তা অত্যন্ত সহজ কিন্তু গভীর, “আজকে বাঁচো, অতীত নিয়ে বেঁচো না, ভবিষ্যতে ভালো থাকো।” এই বক্তব্য শুধু তাঁর ব্যক্তিগত দর্শন নয়, বরং আধুনিক জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্র।



