Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ১৭ বছর পর দেশে ফিরছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান(Tarique Rahaman)। যুক্তরাজ্যে স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকা ৬০ বছর বয়সী এই নেতা ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় পৌঁছবেন বলে ঘোষণা করেছেন। তাঁর প্রত্যাবর্তন ঘিরে বিএনপি রাজধানীতে বিশাল জনসমাবেশের পরিকল্পনা করছে, যেখানে প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষের সমাগমের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
আওয়ামি আমলে তারেকের যাবজ্জীবন (Tarique Rahaman)
তারেক রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক বিতর্কিত অথচ প্রভাবশালী নাম। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ সন্তান তিনি। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় আওয়ামি লিগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় ২০১৮ সালে তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই হামলায় ২৪ জন নিহত ও শতাধিক আহত হন। তবে বিএনপির দাবি ছিল, মামলাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তারেককে ‘ডার্ক প্রিন্স’ আখ্যা (Tarique Rahaman)
২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার হওয়ার পর অসুস্থতার কথা বলে তিনি লন্ডনে যান এবং সেখানেই থেকে যান। ২০২৩ সালে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় অনুপস্থিতিতে তার ৯ বছরের সাজা হয়। একই বছরে কিছু গণমাধ্যম প্রতিবেদনে তাকে ‘ডার্ক প্রিন্স’ আখ্যা দিয়ে দুর্নীতি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ তোলা হয়।
হাসিনার পতনের পর দেশে ফেরা সুগম (Tarique Rahaman)
২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলে যায়। এরপর তারেক রহমানের বিরুদ্ধে থাকা ৮৪টি মামলা থেকে তিনি খালাস পান, যার মধ্যে গ্রেনেড হামলা মামলাও রয়েছে। এই পরিবর্তনের পর তার দেশে ফেরার পথ সুগম হয়।
আরও পড়ুন: Metro Rail: চিংড়িহাটায় মেট্রোর কাজে জট: রাজ্যকে ভর্ৎসনা, ডেডলাইন বেঁধে দিল কলকাতা হাইকোর্ট
নির্বাচনের আগে প্রত্যাবর্তন গুরুত্বপূর্ণ (Tarique Rahaman)
জাতীয় নির্বাচনের আগে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন বিএনপির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, তার সরাসরি উপস্থিতি বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের চাঙা করবে এবং অনিশ্চিত ভোটারদের আস্থা ফেরাতে পারে। একই সঙ্গে জামায়াতে ইসলামির উত্থানের প্রেক্ষাপটে বিএনপির জন্য এটি এক বড় রাজনৈতিক মুহূর্ত। খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও দীর্ঘ রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের দেশে ফেরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে বলেই মনে করছেন অনেক পর্যবেক্ষক।



