Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আমাদের সারাটাদিন কেমন কাটবে তা নির্ভর (The Stress Factor) করে সকালটা ঠিক কিভাবে শুরু হচ্ছে তার ওপর। সকালে উঠেই দিনটা এমনভাবে শুরু করা উচিত যাতে দিন কাটে ভালো ভাবে।
আজকাল স্ট্রেস শব্দটা বাসা বেঁধেছে প্রত্যেকের মাথায়। স্ট্রেস কিন্তু অজান্তেই হয়, কিন্তু সেটাকে সারাতে হয় জেনেশুনে। আর সকালে চোখ খুলেই আপনি কী করছেন তার মধ্যে লুকিয়ে থাকে স্ট্রেস আপনি কিভাবে হ্যান্ডেল করবেন তার সহজ উপায়।
ঘুমের সঙ্গে সম্পর্ক (The Stress Factor)
সকালে ওঠা আর স্ট্রেসের মধ্যে সম্পর্ক (The Stress Factor) আছে বৈকি। মাত্রার অতিরিক্ত ঘুম শরীর ও মনের পক্ষে একেবারেই ভালো নয়। স্ট্রেস আপনি কতটা নিতে পারবেন সেটা কিন্তু এর উপর অবশ্যই নির্ভর করে। সকালে উঠতে হবে পর্যাপ্ত ঘুম কমপ্লিট করে। নির্দিষ্ট সময় মেনে উঠতে পারলে তো খুব ভালো। এতে আপনি পজিটিভ ফিল করবেন সারাদিন, স্ট্রেস এলেও ঠিক সামলে নেবেন হাসিমুখে। আর দেরি করে ঘুম থেকে উঠলে মেজাজ থাকবে খিটখিটে। ছোট ছোট জিনিসেও বিরক্তি আসবে খুব সহজে।

খাবার সঙ্গে সম্পর্ক (The Stress Factor)
অতিরিক্ত শর্করা জাতীয় খাবার খেলে শরীর অলস (The Stress Factor) হয় তাড়াতাড়ি। ভর্তি পেটে ঘুম পায় ভীষণ। অতিরিক্ত ফ্যাট বা চর্বি গলতেও সময় নেয়। দিনের পর দিন শরীরে জমতে থাকে মেদ। তাই হালকা সহজপাচ্য খাবার খান। বারে বারে খেলেও অসুবিধা নেই। কিন্তু একসঙ্গে অতিরিক্ত খাবার খেলে শরীর ও মস্তিস্ক দুইই অলস হয়। ছোট খাটো চাপ ও তখন স্ট্রেস মনে হয়।
অতিরিক্ত মোবাইল স্ক্রোলিং
কাজের সূত্রে অফিসে থাকতে হয় ৮-৯ ঘন্টা। পুরো কাজটাই কম্পিউটারে বা ল্যাপটপে। তাই স্ক্রিন টাইম কমানো তো খুব সহজ নয়। বরং কাজের ফাঁকে মোবাইল স্ক্রোল করার যে অভ্যাস, তা মস্তিষ্ককে দ্রুত অলস করে তোলে। কোনকিছুই ভালো লাগেনা, মেজাজ খারাপ হয় তাড়াতাড়ি। তখন সবকিছুই দিনশেষে স্ট্রেস বলে মনে হয়।

আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: পাঁচ জেলা নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক, বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী
স্ট্রেস তাড়ানোর উপায়
- পর্যাপ্ত পরিমানে জল পান করুন
- সবসময় পজিটিভ ও হাসিখুশি থাকুন
- না বলতে শিখুন
- পার্সোনাল ও প্রফেশনাল লাইফের মাঝে দূরত্ব রাখুন।
- স্ট্রেস নেবেন না, দেবেনও না! কিভাবে?


