Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অমল চক্রবর্তী, হুগলি: কাটোয়া থেকে হাওড়াগামী (Train Vishwakarma Puja) লোকাল ট্রেনের কামরাতেই এবার দেখা গেল বিশ্বকর্মা পুজোর অন্যরকম আয়োজন। প্রতিদিনের যাতায়াতের সঙ্গী ট্রেনটিকেই ঘিরে উৎসবে মেতে উঠলেন নিত্যযাত্রীরা। ৩৭৯১৪ ডাউন কাটোয়া লোকালটি ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে কাটোয়া থেকে রওনা দিয়ে সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ হাওড়ায় পৌঁছয়। প্রায় তিন ঘণ্টার এই যাত্রাপথেই বছরের বিশেষ দিনে দেবশিল্পীর আরাধনা করলেন যাত্রীরা।
প্রতিবছরই বিশ্বকর্মা পুজোর আয়োজন (Train Vishwakarma Puja)
ট্রেনটির চার নম্বর কামরার নিত্যযাত্রীরা (Train Vishwakarma Puja) প্রতিবছরই নিজেদের উদ্যোগে বিশ্বকর্মা পুজোর আয়োজন করেন। চাকরি ও কাজের প্রয়োজনে প্রতিদিন একই ট্রেনে যাতায়াত করতে করতে তাঁদের মধ্যে তৈরি হয়েছে এক আন্তরিক সম্পর্ক। বয়স বা পেশার পার্থক্য থাকলেও দীর্ঘদিনের একসঙ্গে পথ চলার সূত্রে যাত্রীদের মধ্যে গড়ে উঠেছে বন্ধুত্বের পরিবেশ।
দেবশিল্পীর আরাধনা (Train Vishwakarma Puja)
বিশ্বকর্মা পুজোর দিন সেই সম্পর্কই যেন আরও দৃঢ় হয়ে ওঠে। ট্রেনের কামরায় আনা হয় বিশ্বকর্মার মূর্তি। এরপর ঢাক, কাঁসর ও অন্যান্য বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে শুরু হয় পুজোর আয়োজন। পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণে নিয়ম মেনে চলে দেবশিল্পীর আরাধনা। পুজোর আগে-পরে উৎসবের আবহে যাত্রীদের মধ্যেও দেখা যায় আনন্দ ও উচ্ছ্বাস। ব্যান্ডেল স্টেশনে বাজনার তালে নাচের পর আবার ট্রেনে চেপে যাত্রা শুরু করেন তাঁরা।
আরও পড়ুন: Major Rishabh Singh Sambyal: ১২ বছর সেনা পরিষেবার পর অবসর, পেনশন পাবেন কি মেজর ঋষভ?
নিত্যযাত্রীদের বক্তব্য, এই ট্রেনই প্রতিদিন তাঁদের কর্মস্থলে পৌঁছে দেয়। তাই নিরাপদ ও সময়মতো যাত্রা, কর্মজীবনে সাফল্য এবং সকলের মঙ্গল কামনায় বিশ্বকর্মার পুজো করা হয়। পুজো শেষে কামরার যাত্রীদের পাশাপাশি অন্য যাত্রীদের মধ্যেও প্রসাদ বিতরণ করা হয়। ফলে কয়েক ঘণ্টার ট্রেনযাত্রাই এদিন হয়ে ওঠে এক টুকরো উৎসব।


