Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে ইরানে রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভ নিয়ে জরুরি বৈঠক করে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (UNSC Iran)। এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এমন এক সময়ে, যখন ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন দমন করতে গিয়ে ব্যাপক প্রাণহানির অভিযোগ উঠেছে এবং ওয়াশিংটন-তেহরান উত্তেজনা নতুন করে বেড়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এদিন সরাসরি জানাতে চাননি, ইরানের বিরুদ্ধে কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়েছে (UNSC Iran)
আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়েছে ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর দমননীতি নিয়ে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভে ইতিমধ্যেই হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটেই তেহরানের ওপর চাপ বাড়াতে জরুরি বৈঠকের দাবি তোলে ওয়াশিংটন।
আলোচনার আগে সংযমের বার্তা তেহরানের
বৈঠকের আগে ইরান কিছুটা সংযত সুরে কথা বলে। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের সম্ভাব্য পদক্ষেপের হুঁশিয়ারির পর পরিস্থিতি শান্ত করতে এই কূটনৈতিক অবস্থান নেওয়া হয়। ট্রাম্প আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা বা মৃত্যুদণ্ড বন্ধ করতে প্রয়োজনে পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তবে বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, সহিংসতা কিছুটা কমছে এবং আপাতত বড় পরিসরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কোনও পরিকল্পনার খবর তিনি পাননি।
মার্কিন অবস্থান ও ইরানের পাল্টা অভিযোগ (UNSC Iran)
রাষ্ট্রসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র “ইরানের সাহসী জনগণের পাশে” রয়েছে এবং রক্তপাত বন্ধ করতে “সব বিকল্পই খোলা” রয়েছে—এ কথা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি ইরানের সেই অভিযোগও নাকচ করেন যে, এই বিক্ষোভ বিদেশি মদতে উসকে দেওয়া।
“যথাযথ ও আইনসম্মত জবাব” (UNSC Iran)
এর জবাবে ইরানের উপ-রাষ্ট্রদূত গোলাম হোসেইন দারজি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে “মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচার” চালানোর অভিযোগ তোলেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে কোনও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ আগ্রাসন হলে তার “যথাযথ ও আইনসম্মত জবাব” দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: Israel: ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে ভূমিকম্প, পরমাণু পরীক্ষার গুজব ঘিরে চাঞ্চল্য
রাশিয়া ও রাষ্ট্রসংঘের আহ্বান (UNSC Iran)
রাশিয়া এই বৈঠককে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের চেষ্টা বলে সমালোচনা করে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সর্বোচ্চ সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানান। ডেনমার্ক জানায়, ইরানের জনগণের কণ্ঠ আর উপেক্ষা করা যাবে না এবং শান্তিপূর্ণ সংলাপই একমাত্র পথ।



