Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০১৯ সালে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা CAA পাশ হওয়ার পর দেশজুড়ে শুরু হয়েছিল ব্যাপক বিক্ষোভ ও আন্দোলন (CAA Protest)। পশ্চিমবঙ্গও সেই আন্দোলনের বাইরে ছিল না। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ জেলায় আন্দোলন ঘিরে উত্তেজনা চরমে ওঠে। কোথাও রেললাইন অবরোধ, কোথাও ট্রেনে আগুন, আবার কোথাও সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগ সামনে আসে।

ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ (CAA Protest)
সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ ওঠে রেল সম্পত্তি নষ্ট হওয়া নিয়ে। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা, কৃষ্ণপুর-লালগোলা শাখা সহ একাধিক এলাকায় ট্রেন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। রেল কর্তৃপক্ষের দাবি ছিল, কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছিল সেই আন্দোলনের জেরে।
কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি (CAA Protest)
তৎকালীন সময়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই বহু মামলা দায়ের হলেও অভিযোগ ওঠে, অনেক ক্ষেত্রেই তদন্ত এগোয়নি বা কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে রাজ্যের পালাবদলের পর সেই পুরনো ঘটনাগুলিকে নতুন করে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী (CAA Protest)
সাম্প্রতিক প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, ২০১৯ সালের CAA আন্দোলনের সময় যেসব এলাকায় সরকারি সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে, সেসব ঘটনার সমস্ত মামলা পুনরায় খতিয়ে দেখতে হবে। শুধু তদন্তই নয়, যাঁরা সরাসরি ভাঙচুর বা অগ্নিসংযোগে যুক্ত ছিলেন বলে প্রমাণ মিলবে, তাঁদের কাছ থেকেই ক্ষতিপূরণ আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু করার কথাও বলা হয়েছে।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে (CAA Protest)
রাজ্য পুলিশের বিশেষ টিম গঠন করে পুরনো FIR, ভিডিও ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং রেল ও প্রশাসনের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পুনরায় পরীক্ষা করা হতে পারে। বিশেষ করে যেসব ঘটনায় সরকারি সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে, সেখানে আইনি পদক্ষেপ আরও জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: Aparajito Movie: নন্দনে হাউসফুল অপরাজিত, চোখের জলে শ্রদ্ধা জিতু কমলের
সরকারি ক্ষতি হয়েছে
২০১৯ সালের সেই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও তীব্র সংঘাত দেখা গিয়েছিল। একদিকে আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল, CAA ও NRC সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে সরকার ও প্রশাসনের বক্তব্য ছিল, আন্দোলনের আড়ালে বহু জায়গায় সংগঠিত ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ হয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও সরকারি ক্ষতি হয়েছে।



