Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অংশুমান চক্রবর্ত্তী, শিলিগুড়ি: বাম সরকারের পতনের (Uttar Kanya) পর তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর উত্তরবঙ্গের মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই ২০১৪ সালের ২০ জানুয়ারি উদ্বোধন করা হয় উত্তরবঙ্গের মিনি সচিবালয় উত্তরকন্যা। উত্তরবঙ্গের প্রশাসনিক কাজকর্মের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে এখান থেকেই পরিচালিত হয়েছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কাজ।
প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম? (Uttar Kanya)
তবে দীর্ঘদিন তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকার পরও উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে পেরেছে উত্তরকন্যা, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

সম্প্রতি রাজ্যে বিজেপি সরকার (Uttar Kanya) ক্ষমতায় আসার পর নতুন প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, প্রতি মাসে অন্তত একবার মুখ্যমন্ত্রী উত্তরকন্যায় এসে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন। পাশাপাশি রাজ্যের মন্ত্রীরাও নিয়মিতভাবে এখান থেকে সরকারি কাজ পরিচালনা করবেন, যাতে উত্তরবঙ্গের মানুষকে আর প্রশাসনিক পরিষেবার জন্য কলকাতামুখী হতে না হয়।
উত্তরবঙ্গে অমিত শাহ (Uttar Kanya)
এদিকে, উত্তরবঙ্গ সফরে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আগামীকাল উত্তরকন্যায় তাঁর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সীমান্ত ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে বিএসএফের ডিজি এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করবেন তিনি।
আরও পড়ুন: Gold Rust: কেন সোনায় মরচে ধরে না?
এই সফরের আগেই উত্তরকন্যায় শুরু হয়েছে জোরকদমে রং করার কাজ। এতদিনের পরিচিত নীল-সাদা রঙের পরিবর্তে ভবনের বাইরের অংশে করা হচ্ছে হলুদ-সাদা রং। পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ সরকারি ভবনই দীর্ঘদিন নীল-সাদা রঙে রাঙানো ছিল। ফলে উত্তরকন্যার এই পরিবর্তনকে ঘিরে প্রশাসনিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেরই ধারণা, আগামী দিনে রাজ্যের অন্যান্য সরকারি ভবনেও নীল-সাদার পরিবর্তে হলুদ-সাদা রঙের ব্যবহার দেখা যেতে পারে।


