Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সহজ জয় দিয়ে IPL অভিযান শুরু করল রাজস্থান (Vaibhav Sooryavanshi)।
মুখ থুবড়ে পড়ল চেন্নাই (Vaibhav Sooryavanshi)
চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে মাঠে আবারও দেখা গেল বৈভব ঝড়। সেই ঝড়েই খড়কুটোর মতো উড়ে গেল ধোঁয়াহীন চেন্নাই। এক তরফ লড়াইয়ের মঞ্চেও দাপুটে জয়ের গল্প লিখলেন দুই তরুণ তুর্কি। ১২৮ রান তাড়া করতে নেমে খুব সহজেই সি রান তুলে ফেলল রাজস্থান। মাত্র ১২.১ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে তারা। CSK-এর ১৯.৪ ওভারে করা ১২৭ রান যেন মুহূর্তেই ফিকে হয়ে যায় রাজস্থানের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের সামনে। প্রথম মাসাথেই রাজস্থান স্পষ্ট বার্তা দিয়ে রাখল এই মনে তাঁরা এবার জিততে এসেছেন (Vaibhav Sooryavanshi)।
উইকেট স্লো থাকলেও বৈভব ঝড় আটকানোর জন্য যথেষ্ট নয়। উইকেট নিয়ে যদি কোনও সতর্ক বার্তা থেকেও থাকে তাহলে সেগুলো বৈভব ঝড়ে উড়ে গিয়ে পড়ল গ্যালারিতে। ম্যাচের ভাগ্য লিখলেন এই বিস্ময় বালক। সিনিয়র পার্টনার যশস্বী যখন উইকেট আঁকড়ে তখন বৈভব যে বালিঝড়। মাত্র ১৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি, আর শেষে ১৭ বলে ৫২, যার মধ্যে রয়েছে ৪টি চার, ৫টি ছক্কা, স্ট্রাইক রেট ৩০৫.৮৮। এ শুধু একটা ইনিংস নয়, ধ্বংসের সতর্কতা।

যশস্বীর ১৩ বলে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড অক্ষুণ থাকলে কী হবে, বৈভব তখন অতিমানবীয় ইনিংস নিয়ে মেতে। পাওয়ার প্লে-তে স্কোর ৭৪, উইকেট শূন্য। তারপর আর বাকিটা শুধু কিছুটা সময় কাটানো। বৈভবের বলা কথাই যেন তাঁর ইনিংসে দেখা যাচ্ছিল, আইপিএল শুরুর আগে তিনি বলেছিলেন ক্রিস গেইলের ১৭৫ রানের রেকর্ড তিনি ভাঙতে চান। এই দিনের ইনিংসের পর ক্রিকেটবিশ্বের কাছে মোটামুটি স্পষ্ট যে বৈভবের তাণ্ডব আটকানো সহজ নয়। অন্য প্রান্তে যশস্বী ঠান্ডা মাথায় অপরাজিত ৩৬ বলে ৩৮ রান করে ম্যাচ শেষ করেন। চেন্নাইয়ের বোলিং নিয়ে কিছু না বলাই ভাল। তাঁদের নির্বিষ বোলিং এই প্রতিভাদের যে আটকাতে পারবে না সেটা পরিষ্কার। কমাত্র অনশুল কম্বোজ ২টি উইকেট পেলেও তখন আর কিছু করার নেই। যা হওয়ার সেটা হয়ে গেছে (Vaibhav Sooryavanshi)।

আরও পড়ুন: Rahul Arunoday Banerjee: কেওড়াতলায় শেষযাত্রায় উত্তেজনা, ফুঁসছে রাহুলের শৈশবের সঙ্গীরা
ম্যাচের আগেই জোড়া ধাক্কা আসে চেন্নাই শিবিরে। ধোনি এবং ব্রেভিস দুজনেই বেশ কিছু ম্যাথ খেলতে পারবেন না। টস হেরে প্রথম ব্যাট করতে নাম চেন্নাই। শুরু থেকেই করুণ হাল চেন্নাইয়ের। বোমারু বিমানের তাণ্ডবে যেন চেন্নাইয়ের ব্যাটিং এক ধ্বংসস্তূপ। যেখানে শুধু লেগে আছে অতীতের বিজয় গাঁথা। জেমি ওভারটন ৪৩ না করলে হয়ত চেন্নাই ১০০ রানও করতে পারতো না। এই দিন ব্যর্থ হলেন সঞ্জু, ঋতুরাজ, শিবম দুবে।

রাজস্থানের বোলাররা এ দিন যেন আগুন ঝরালেন। জোফ্রা আর্চার ও নান্দ্রে বার্গার দু’জনেই ২টি করে উইকেট নেন, জাডেজাও নিজের কেরামতি দেখালেন। তিনিও নিজের প্রাক্তন দলের বিরুদ্ধে নেন ২ উইকেট। তবে এই দিনের স্টার বই বৈভব, এ শুধু ইনিংস নয় ক্রিকেট বিশ্বের জন্য আগাম সতর্কবাণী (Vaibhav Sooryavanshi)।


