Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: দেশের ১৭ তম উপরাষ্ট্রপতি (Vice President Election) হলেন সিপি রাধাকৃষ্ণন। তিনি হলেন রাষ্ট্রপতি স্বয়ং সেবক সংঘের প্রচারক। এনডিএ জোটের প্রার্থী সিপি রাধাকৃষ্ণান ইন্ডিয়া জোটের প্রার্থী বি সুদর্শন রেড্ডিকে ২৫২ ভোটে হারিয়ে উপরাষ্ট্রপতি হলেন। তিনি মোট ৪৫২ টি ভোট পেয়েছেন।
কেন এই নির্বাচন? (Vice President Election)
গত ২১ জুলাই, যেদিন সংসদের বাদল অধিবেশন (Vice President Election) ছিল, সেদিন আচমকাই ইস্তফা দিয়েছিলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। ফলে উপরাষ্ট্রপতির পদ শুন্য হয়ে গেলে এই নির্বাচনের দরকার হয়। সুদর্শন রেড্ডি মোট পেয়েছেন ৩০০ টি ভোট। আর তার থেকে ১৫২ টি ভোট বেশি পেয়েই ৪৫২ টি ভোটে জয়ী হয়েছেন সিপি রাধাকৃষ্ণন।
নির্বাচন প্রক্রিয়া (Vice President Election)
ভারতের উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় অংশ নেয় সংসদের (Vice President Election) দুই কক্ষ লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যরা। এই দুই কক্ষ মিলিয়ে গঠিত হয় একটি ‘নির্বাচকমণ্ডলী’ বা ইলেক্টোরাল কলেজ। তাতে থাকেন লোকসভার ৫৪৩ জন নির্বাচিত সাংসদ এবং রাজ্যসভার ২৩৩ জন নির্বাচিত ও ১২ জন মনোনীত সাংসদ। সব মিলিয়ে এই নির্বাচকমণ্ডলীর মোট সদস্যসংখ্যা হওয়া উচিত ৭৮৮। তবে বর্তমানে রাজ্যসভার ছয়টি আসন খালি থাকায় এই সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ৭৮২।
রাজ্যসভার সদস্যদের ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ
তবে তার মধ্যে বড় দুই আঞ্চলিক দলকে চন্দ্রশেখর রাওয়ের ভারত রাষ্ট্র সমিতি (BRS) ও নবীন পট্টনায়কের বিজু জনতা দল (BJD) ভোটদানে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এই দুই দলের বিরত থাকার ফলে মোট ১২ জন সাংসদ ভোটে অংশ নেবেন না। ফলে এবার দেশের পরবর্তী উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন নির্ধারণ করেছেন মোট ৭৭০ জন সাংসদ। তাঁদের ভোটেই ঠিক হল দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে আসীন ব্যক্তির নাম। উল্লেখ্য, উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রথা অনুযায়ী কোনও রাজ্যের বিধায়করা অংশ নেন না। এই ভোট শুধুমাত্র সংসদীয় স্তরের একটি নির্বাচন। উপরাষ্ট্রপতি দেশের রাজ্যসভার অধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন, তাই রাজ্যসভার সদস্যদের ভূমিকা এখানে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুন: Health Tips: পেট ভরেছে? শরীরই জানিয়ে দেয় থামার সংকেত!
উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সাংসদদের একক হস্তান্তরযোগ্য ভোট দ্বারা। হিন্দি এবং ইংরেজিতে সাদা ব্যালট পেপারে দুই প্রার্থীর নাম লেখা থাকবে। ব্যালট পেপারে টিক দিয়েই সাংসদরা বেছে নেবেন নিজের পছন্দের প্রার্থীকে। সেখানে অবশ্য প্রথম পছন্দ ও দ্বিতীয় পছন্দের প্রার্থীর নাম দেওয়া থাকে। পছন্দ অনুযায়ী নির্বাচন করা হয় উপরাষ্ট্রপতির নাম।


