Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: জলই জীবনের অন্যতম বড় (Water Drinking Mistakes) ভিত্তি। স্বাস্থ্য ভাল রাখতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করা জরুরি। চিকিৎসকেরা প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দিনে অন্তত ৩.৫-৪ লিটার জল পানের পরামর্শ দেন। তবে শুধু পরিমাণই নয়, কীভাবে জল পান করছেন, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ জল পানের সময় করা কিছু সাধারণ ভুল আপনার শরীরের উপকারের বদলে অপকার ডেকে আনতে পারে।
খুব দ্রুত জল খেয়ে ফেলা (Water Drinking Mistakes)
প্রথম যে ভুলটি অনেকেই করেন, তা হল একসঙ্গে খুব দ্রুত জল খেয়ে ফেলা (Water Drinking Mistakes)। তেষ্টা পেয়েছে বলে এক ঢোঁকে বোতল শেষ করে ফেললে শরীর হঠাৎ করে একটা ধাক্কা খায়। এর থেকে পরিপাক প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি হতে পারে। বরং ধীরে ধীরে, ছোট ছোট চুমুকে জল খাওয়া শরীরের জন্য বেশি সহায়ক। প্রতিবার গলায় ঢালার আগে মুখে কয়েক সেকেন্ড ধরে রেখে খাওয়া আরও উপকারী।
অত্যন্ত ঠান্ডা বা খুব গরম জল পান (Water Drinking Mistakes)
দ্বিতীয় ভুলটি হল অত্যন্ত ঠান্ডা বা খুব গরম জল পান (Water Drinking Mistakes) করা। অতিরিক্ত গরম বা ফ্রিজের ঠান্ডা জল শরীরে প্রবেশের পরে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে সময় নেয় এবং সে জন্য শরীরকে বাড়তি পরিশ্রম করতে হয়। এর ফলে শরীরের উপর চাপ পড়ে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি ঘরোয়া তাপমাত্রায় রাখা জল পান করা হয়। এতে শরীর সহজেই গ্রহণ করতে পারে এবং হজম প্রক্রিয়াও সুষ্ঠু হয়।
খাবার খাওয়ার সময় জল পান
খাবার খাওয়ার সময় জল খাওয়াটাও অনেকের অভ্যাস। কিন্তু এই অভ্যাস বিপদ ডেকে আনতে পারে। খাওয়ার সময় জল খেলে পাকস্থলীতে অ্যাসিডের ঘনত্ব কমে যায়, যা খাবার হজমে বাধা সৃষ্টি করে। তাই বিশেষজ্ঞেরা বলেন, খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে বা পরে জল পান করাই সঠিক।
প্লাস্টিকের বোতলে জল পান
জলের পাত্র নিয়েও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। আজকাল অনেকেই সহজলভ্য প্লাস্টিকের বোতলে জল পান করেন। কিন্তু গবেষণা বলছে, প্লাস্টিকের বোতলে থাকা জল থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর পরিবর্তে কাচ, তামা বা স্টিলের পাত্র ব্যবহার করাই নিরাপদ।
আরও পড়ুন: Kolkata Metro Services: শুরু হলুদ ও কমলা লাইনের মেট্রো পরিষেবা, এয়ারপোর্ট পৌঁছানো এখন আরও সহজ!
আরেকটি বড় ভুল হল, শুধুমাত্র তেষ্টা পেলে জল পান করা। এই অভ্যাসের ফলে শরীরে জলশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন হতে পারে। বিশেষ করে গ্রীষ্মে বা ব্যায়ামের পরে শরীর প্রচুর জল হারায়। তাই নির্দিষ্ট সময় অন্তর জল পান করা উচিত, তেষ্টা লাগার অপেক্ষা না করে।


