Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ট্রাম্প ট্যারিফ কমাতেই ফিরল বিদেশি লগ্নি, ১২৪ পয়সা উঠল টাকার দর (Share Market)।
হাসিখুশি ভাব শেয়ার মার্কেটে (Share Market)
রবিবার দিনের বাজেটের থেকে যেমনটা আশা করেছিল শেয়ার মার্কেট সেইমতো ঘোষণা না হওয়ায় শেয়ার মার্কেটের অভিমুখ নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল লগ্নিকারীদের মধ্যে। তার সঙ্গে সিকিওরিটিজ ট্র্যানজাকশন ট্যাক্স (এসটিটি) শুধুমাত্র ফিউচার অ্যান্ড অপশনস (এফঅ্যান্ডও)-এ বেড়েছে নাকি শেয়ারবাজারের সমস্ত বিভাগে বেড়েছে সেই নিয়েও ধন্ধ তৈরি হয়েছিল। এর জেরে লগ্নিকারীদের প্রায় ১১ লক্ষ কোটি টাকা একদিনেই উবে গিয়েছিল। এর ফলে পতন হয় দুই বেঞ্চমার্ক ইনডেক্সের। কিন্তু তার একদিনের মধ্যেই আবার চাঙ্গা হলো শেয়ার মার্কেট। ট্রাম্পের ট্যারিফ কমানোর ঘোষণার পরেই বাজারে ফিরল প্রায় ১১ লক্ষ কোটি টাকার বাজার মূলধন (Share Market)।
নানান ব্রোকারেজ সংস্থার মতে ট্রাম্প ভারতের উপর থেকে শুল্ক কমিয়ে দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুরোধে। ৫০ শতাংশ থেকে শুল্ক নেমে এসেছে ১৮ শতাংশে। যার ফলে নতুন করে আশা দেখছেন লগ্নিকারীরা। মঙ্গলবার বাজার বন্ধের সময় সেনসেক্স ছিল ২,০৭২.৬৭ বেড়ে ৮৩,৭৩৯.১৩ পয়েন্টে। অন্য দিকে, নিফটি ৬৩৯.১৫ পয়েন্ট বেড়ে পৌঁছয় ২৫,৭২৭.৫৫ পয়েন্টে।

গত নয় মাসে মার্কিন সরকার ভারতের উপর দুই দফায় শুল্ক বসিয়েছিল মোট ৫০ শতাংশ। যার ফলে ২০২৪-২৬ অর্থবর্ষের তুলনায় ২০২৫-২৬ অর্থহবর্ষের আয় কোমর আশংকা ছিল যথেষ্ট। রপ্তানি নিয়ে উদ্বেগ এবং ভূ-রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে ধারাবাহিক ভাবে পড়েছে ডলার, ইউরো-সহ বিভিন্ন কারেন্সির নিরিখে টাকার দর। ২০২৫-এর এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে এক ডলার কিনতে খরচ করতে হয়েছে ৮৫.২৭ টাকা। যা চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পৌঁছে গিয়েছিল ৯২.৩৫ টাকায়। যদিও শুল্ক কমানোর ঘোষণার পর থেকে স্বস্তির হওয়া কিছুটা হলেও বইছে শেয়ার মার্কেটে। মঙ্গলবার ডলারের নিরিখে টাকার বিনিময়দর ছিল ৯০.২৫। যা সোমবারের তুলনায় কমেছে ১২৪ পয়সা। ফলে বাজার জুড়ে খুশির হাওয়া।
আরও পড়ুন: Online Gaming Tragedy: অনলাইন গেম নিয়ে অশান্তি, ১০ তলা থেকে ঝাঁপ তিন বোনের!
বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে শুল্ক কমে যাওয়ার ফলে রপ্তানি বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে লগ্নিকারীরা ঢেলে লগ্নি করবেন স্টক মার্কেটে। এর পাশাপাশি ডলারের নিরিখে টাকার বিনিময় দর কমে যাওয়ার ফলে বিপুল পরিমাণ শেয়ার কিনেছেন বিদেশি লগ্নিকারীরা। রিপোর্টে প্রকাশ তথ্য অনুসারে মঙ্গলবার যেখানে দেশি বিনিয়োগকারীরা ১,০১৪ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছিলেন, সেখানে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নেট পারচেজ-এর অঙ্ক ছিল ৫,২৩৬ কোটি টাকা। তাছাড়াও বিশেষজ্ঞদের মতে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার কয়েক দিনের মধ্যেই কমলো ট্রাম্প ট্যারিফ-এর চাপ। ফলে বিশ্ববাণিজ্যের ক্ষেত্রে ক্রমশ শক্তিশালী জায়গা করে নিচ্ছে ভারত। যা দেশের আগামীদিনের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সহায়ক হবে (Share Market)।


